Dhakainfo24
ঢাকামঙ্গলবার , ১০ মার্চ ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. চাকরি
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. বিনোদন
  9. রাজনীতি
  10. শিক্ষা
  11. সর্বশেষ
  12. সারাদেশ
  13. স্বাস্থ্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হাদি হত্যায় অভিযুক্তদের সঙ্গে সাক্ষাতে ‘কনস্যুলার অ্যাকসেস’ চেয়েছে বাংলাদেশ

ঢাকা ইনফো২৪
মার্চ ১০, ২০২৬ ৪:২৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশ। প্রধান আসামি ফয়সাল ও তার সহযোগীর স‌ঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন (কনস্যুলার অ্যাক্সেস) জানিয়েছে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।


কলকাতার এক‌টি কূটনৈতিক সূত্র জানায়, শনিবার দিবাগত রাতে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর কলকাতার বাংলাদেশ মিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে আটক দুজনের সঙ্গে কনস্যুলার সাক্ষাতের অনুমতি চে‌য়ে‌ছে।


আশা করা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যে সাক্ষাতের অনুম‌তি মিল‌তে পা‌রে।


পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) জালে ধরা পড়েছেন ফয়সালের সহকারী তথা খুনে অন্যতম অভিযুক্ত আলমগীর শেখও। হাদি-খুনে বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে এই দুজনকে মূল অভিযুক্ত হিসাবে চিহ্নিত করে। রাজ্য পুলিশের এসটিএফ জানিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হানা দিয়ে বনগাঁর সীমান্ত এলাকা থেকে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়।


বাংলাদেশে চাদাবাজি এবং খুনের ঘটনায় নাম জড়ানো এ দুজন ওই এলাকায় আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে খবর পেয়ে হানা দেওয়া হয়েছিল। সুযোগ পেলেই তাঁরা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকতে পারেন, এমনও জানা গিয়েছিল। সে খবরের ভিত্তিতে হানা দিয়ে গোপন আস্তানা থেকে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ সহযোগী আলমগীর হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যা করেন এবং পালিয়ে যান। তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন। ভারতের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করার পর শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় আসেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল সুযোগ পেলে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়া।


স্পেশাল টাস্ক ফোর্স জানায়, এ বিষয়ে একটি মামলা করা হয়েছে। আজ (রোববার) সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করার পর তাদের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।


গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার বিজয় নগরের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় হাদিকে গুলি করা হয়।


প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।


ঘটনার পর ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের নেতা জাবের পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন, যা পরে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। হত্যাকাণ্ডের পর ছয়জন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয় যারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।


কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আনুষ্ঠানিক আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার প্রস্তুতি চলছে।


বি

ঢাকা ইনফো২৪

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।