গেণ্ডারিয়া রেলস্টেশন-সংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে প্রকাশ্যে অস্ত্র তাক করার ঘটনায় অবশেষে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।
বিবৃতিতে আত্মরক্ষার্থেই লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, সেখানে পৌঁছানোর পর প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি আইনলঙ্ঘনকারী দল অতর্কিতভাবে হট্টগোল শুরু করে তাদের গাড়িবহরের দিকে আক্রমণাত্মকভাবে ধেয়ে আসে। এমন পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য প্রাণনাশের আশঙ্কা ও নিরাপত্তাবেষ্টনী বজায় রাখতে তিনি এবং তার সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা অত্যন্ত স্বল্প সময়ের জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেন। পরিস্থিতি শান্ত ও নিরাপদ হওয়ার পরপরই অস্ত্রটি যথাস্থানে রাখা হয়। পুরো বিষয়টি সম্পূর্ণ আইনি কাঠামোর ভেতর থেকেই আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তার সই করা ওই বিবৃতিতে বলা হয়, গেন্ডারিয়ার ঘণ্টিঘর, মুন্সিটেক ও করাতিটোলা এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে মাদক কেনাবেচা চলছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে স্থানটি মাদক সিন্ডিকেটের বড় ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হয়। পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় সামাজিক নেতাদের যৌথ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই তিনি উক্ত যৌথ প্রতিরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযান চলাকালীন পুলিশি সহায়তায় সেখানে ৪-৫টি অবৈধ মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়। সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ হেরোইন, বিদেশি মদ, মাদক সেবনের সরঞ্জাম, দেশীয় ধারালো অস্ত্র, নগদ টাকা এবং ছিনতাইকৃত মোবাইল উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে হাতেনাতে আটক ৬ জন মাদক কারবারিকে উদ্ধারকৃত মালামালসহ গেন্ডারিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে প্রতিমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি স্পর্শকাতর বিষয়ের মাত্র কয়েক সেকেন্ডের খণ্ডিত দৃশ্য ব্যবহার করে কিছু গণমাধ্যম চটকদার ও বিকৃত সংবাদ পরিবেশন করছে। মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার এবং ৬ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তারের সাফল্য আড়াল করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর যে অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে, তা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিপন্থী। তিনি গণমাধ্যমগুলোকে সংবাদের সত্যতা যাচাই করে পুরো ঘটনা প্রচারের আহ্বান জানান।
Scale Your Newsportal
Blazing-fast frontend, robust backend & ad monetization ready.
Scale Your Newsportal
Blazing-fast frontend, robust backend & ad monetization ready.