ঈদপোশাকে এবার আরামটাই প্রাধান্য পাচ্ছে। এ কারণে ঢিলেঢালা কাটের পোশাকের পাশাপাশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে কাফতান। নকশায় হালকা, জমকালো—দুই ধরনই চলছে।
প্রতিবছরই ঈদের পোশাকের একটা বিশেষ ধারা দেখা যায়। এ বছর একটি নয়, বেশ কয়েকটি ধারা পাশাপাশি চলছে। ঈদপোশাকের ভাবনায় পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর একটা প্রভাব আগে থেকেই আছে। তবে দেশীয় ব্র্যান্ডগুলো কাটে নিজস্ব একটা ধারাও এবার নিয়ে এসেছে।
২০২৬ সালের ঈদে আনারকলি ও সারারা যেমন আছে, খাটো কামিজ ফারসি সালোয়ারও আছে। থাকবে কাফতান, গোড়ালি পর্যন্ত লম্বা কামিজ, শাড়ি, হাঁটুর নিচ পর্যন্ত কামিজ, প্যান্টের সঙ্গে ক্রপ টপ, শাড়ি, স্কার্ট, কো-অর্ড সেট, কোটিসহ কামিজ সেট। সব ধরনের পোশাকের কাটের মধ্যে একটাই মিল—ঢিলেঢালা ভাব।

পোশাকের কাপড়ের মধ্যে এগিয়ে আছে সিল্ক। পাশাপাশি জ্যাকার্ড কটন, জর্জেট, ক্র্যাশ ফেব্রিক, শিফন-জর্জেট, সুতি, খাদির মতো কাপড়ও থাকছে। কিছু পোশাকে ব্যবহার করা হয়েছে পরিবেশবান্ধব ও আরামদায়ক হ্যান্ডলুম কটন ও রেমি কটন। জারদৌসি, কাচের কাজ, সুতা, ব্লকপ্রিন্ট, স্ক্রিনপ্রিন্ট, টাইডাই, অ্যাপলিক, লেসের ব্যবহার চোখে পড়ছে।
ঈদে, দিন-রাতের দাওয়াতে ভারী নকশার পোশাক, জমকালো সাজগুলোই প্রাধান্য পাবে।
ঈদপোশাক ও সাজের এসব ধারাই ‘নকশা’র পাঠকদের জন্য তুলে ধরলেন রুকাইয়া জাহান চমক। ‘নকশা’ পড়ে বড় হয়েছেন এই অভিনয়শিল্পী। নকশার মডেল হবেন—কখনো ভাবেননি। এই সুযোগে সেটাও হয়ে গেল!
