একাধিক নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিনকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকালে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এরআগে সোমবার ইউএনও আলাউদ্দিনের সঙ্গে একধিক নারীর আপত্তিকর অন্তরঙ্গ ভিডিও ভিডিও বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট করা হয়। তবে ইউএনওর দাবি, ভিডিওটি তার সম্মানহানির উদ্দেশ্যে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, প্রাথমিক তদন্তে ভিডিওর বিষয়ে সত্যতা পাওয়ায় আলাউদ্দিনকে ওএসডি করা হয়েছে। এখন বিস্তারিত তদন্তের পর এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য,নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আলাউদ্দিনের একাধিক নারীদের অন্তরঙ্গ আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ২৯ সেকেন্ডের ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়ার পর সোমবার সকালেই ইউএনও কর্মস্থল ত্যাগ করে জেলা সদরের উদ্দেশে রওনা দেন। এরপর থেকে তিনি আর কারো ফোন রিসিভ করছেন না। তবে সকাল ৯টার দিকে কর্মস্থলে আসেন। এরপর তড়িগড়ি করে ইউএনও জেলা সদরে গেছেন। তবে যাওয়ার আগে তিনি অফিসে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। ইউএনও কার্যালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি তারা শুনেছেন। তবে এখন পর্যন্ত ওই নারীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আবার অনেকে ধারণা করছে, ইউএনও হানিট্রাপে পড়েছে।
এ বিষয়ে জানতে ইউএনও মো. আলাউদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তবে তিনি এক গণমাধ্যমকর্মীকে জানিয়েছেন, পূর্বের কর্মস্থলের কিছু বিরোধের জেরে কেউ এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে নিয়ে মিথ্যা ভিডিও তৈরি করে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে। বিষয়টি প্রতিহত করতে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছেন।
কুশল/সাএ
