বৃহস্পতিবার , ১৮ জুন ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. তথ্য-প্রযুক্তি
  7. প্রবাস
  8. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  9. বিনোদন
  10. মতামত
  11. লাইফস্টাইল
  12. শিক্ষা
  13. সর্বশেষ
  14. সারাদেশ
  15. সাহিত্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দুর্বল ব্যাংকের ধাক্কায় বড় ক্ষতিতে ব্যাংক খাত

ঢাকা ইনফো২৪
জুন ১৮, ২০২৬ ৫:০২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঢাকা: দেশের ব্যাংকিং খাতের প্রকৃত আর্থিক অবস্থার চিত্র প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। কয়েকটি বহুজাতিক ও শক্তিশালী বেসরকারি ব্যাংক রেকর্ড মুনাফা করলেও দুর্বল ও অনিয়ম-দুর্নীতিতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর বিপুল লোকসান পুরো ব্যাংক খাতকে আবারও লোকসানের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট ও মাসিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশের ব্যাংকিং খাতের সম্মিলিত নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা, যা দেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে অন্যতম বড় ক্ষতির ঘটনা।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে গোপন থাকা আর্থিক দুর্বলতা, অনিয়মের মাধ্যমে বিতরণ করা ঋণ, খেলাপি ঋণের প্রকৃত হিসাব এবং সম্পদের গুণগত মান যাচাইয়ের (অ্যাসেট কোয়ালিটি রিভিউ-একিউআর) ফলে ব্যাংকগুলোর প্রকৃত আর্থিক চিত্র সামনে এসেছে। এর ফলে একদিকে কিছু ব্যাংক বড় ধরনের ক্ষতি দেখিয়েছে, অন্যদিকে শক্তিশালী ব্যাংকগুলো উচ্চ মুনাফা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

মুনাফা থেকে রেকর্ড লোকসানে পুরো খাত

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে দেশের ব্যাংক খাতের সম্মিলিত নিট মুনাফা ছিল ১৪ হাজার ২৩০ কোটি টাকা। ২০২৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৪ হাজার ৮৪০ কোটি টাকায়। ২০২৪ সালে মুনাফা কিছুটা কমে ১২ হাজার ১৫৮ কোটি টাকায় নেমে আসে।

তবে ২০২৫ সালে পরিস্থিতির নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে। পুরো ব্যাংক খাতের সম্মিলিত ফলাফল লোকসানে পরিণত হয় এবং ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা।

অর্থনীতিবিদদের মতে, এই লোকসান হঠাৎ সৃষ্টি হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন ব্যাংকে রাজনৈতিক প্রভাব, দুর্বল সুশাসন, ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ বিতরণ এবং প্রকৃত খেলাপি ঋণ আড়াল করার প্রবণতার কারণে যে আর্থিক সংকট তৈরি হয়েছিল, এখন তার প্রকৃত চিত্র প্রকাশ পাচ্ছে।

ব্যাংক সংস্কার কর্মসূচির ফলেই বেরিয়ে এসেছে প্রকৃত অবস্থা

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্যাংক খাত সংস্কারের অংশ হিসেবে ৯টি ব্যাংকের সম্পদের গুণগত মান যাচাই বা অ্যাসেট কোয়ালিটি রিভিউ (একিউআর) করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত এই পর্যালোচনায় ব্যাংকগুলোর প্রকৃত সম্পদ, আদায়যোগ্য ঋণ, ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ এবং সম্ভাব্য ক্ষতির হিসাব নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ পর্যালোচনায় দেখা যায়, পাঁচটি ব্যাংক একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং আরও কয়েকটি ব্যাংকের আর্থিক অবস্থাও অত্যন্ত দুর্বল। ফলে আগের বছরগুলোতে যেসব ক্ষতি বিভিন্নভাবে আড়ালে ছিল, সেগুলো ২০২৫ সালের হিসাবেই প্রতিফলিত হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, এই লোকসান মূলত হিসাবভিত্তিক এবং ব্যাংকগুলোর প্রকৃত অবস্থা প্রকাশের অংশ। ভবিষ্যতে পুনর্গঠন ও সংস্কারের মাধ্যমে পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব।

অতীতেও সংস্কারের সময় লোকসানে পড়েছিল ব্যাংক খাত

বাংলাদেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে এর আগেও সংস্কার কার্যক্রমের সময় পুরো খাত লোকসানে পড়েছিল।

২০০২ সালে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সহায়তায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও খেলাপি ঋণ কমানোর জন্য একটি সংস্কার কর্মসূচি শুরু হয়। ওই কর্মসূচির আওতায় স্বাধীন নিরীক্ষার মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর প্রকৃত আর্থিক অবস্থা যাচাই করা হয়।

এর ফল হিসেবে ২০০৪ সালে পুরো ব্যাংক খাত ৭৭৬ কোটি টাকা লোকসান করে। ২০০৬ সালে ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৮৬০ কোটি টাকায়।

পরবর্তীতে ২০১২ সালে সোনালী ব্যাংকের হলমার্ক কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসার পর ওই ব্যাংকের বিপুল ক্ষতির কারণে পুরো ব্যাংক খাতের সম্মিলিত লোকসান দাঁড়িয়েছিল ১ হাজার ৯৫ কোটি টাকা।

অর্থাৎ ইতিহাস বলছে, যখনই প্রকৃত হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে, তখনই ব্যাংক খাতের দুর্বলতা সামনে এসেছে।

১০ ব্যাংকের সম্মিলিত লোকসান ১ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা

ব্যাংকগুলোর বার্ষিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৫ সালে মাত্র ১০টি ব্যাংক সম্মিলিতভাবে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা লোকসান করেছে।

অন্যদিকে, ভালো অবস্থানে থাকা ব্যাংকগুলোর মুনাফা এই ক্ষতির একটি অংশ পুষিয়ে দিয়েছে। ফলে পুরো খাতের নিট লোকসান ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকায় সীমিত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, শক্তিশালী ব্যাংকগুলোর মুনাফা না থাকলে ক্ষতির পরিমাণ আরও ভয়াবহ হতে পারত।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিতে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক

২০২৫ সালে সবচেয়ে বেশি লোকসান করেছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকটির বার্ষিক লোকসান দাঁড়িয়েছে ৬৬ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকা।

এক সময় দ্রুত সম্প্রসারণের মাধ্যমে আলোচনায় আসা ব্যাংকটি বর্তমানে দেশের ব্যাংকিং খাতের সবচেয়ে বড় আর্থিক সংকটের উদাহরণে পরিণত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে অনিয়মিত ঋণ বিতরণ, একই গোষ্ঠীভুক্ত প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ঋণ প্রদান এবং পর্যাপ্ত জামানত ছাড়াই অর্থায়নের কারণে ব্যাংকটির এ অবস্থা তৈরি হয়েছে।

এস আলম গ্রুপ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর বড় ক্ষতি

এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন বা নিয়ন্ত্রণাধীন কয়েকটি ব্যাংকেও বড় ধরনের লোকসান দেখা গেছে।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ৩১ হাজার কোটি টাকা লোকসান করেছে।

এক্সিম ব্যাংকের লোকসান দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৯০৮ কোটি টাকা।

গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের ক্ষতির পরিমাণ ১৩ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা।

ইউনিয়ন ব্যাংকের লোকসান হয়েছে ৪ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা।

অর্থনীতিবিদদের মতে, একই গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ঋণ বিতরণ এবং পরবর্তীতে ঋণ আদায়ে ব্যর্থতার কারণেই এসব ব্যাংকের আর্থিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।

রাষ্ট্রায়ত্ত ও পুরোনো বেসরকারি ব্যাংকেও ক্ষতি

শুধু ইসলামী ধারার ব্যাংক নয়, আরও কয়েকটি ব্যাংকও ২০২৫ সালে লোকসান করেছে।

জনতা ব্যাংকের লোকসান হয়েছে ৩ হাজার ৮২০ কোটি টাকা।

এবি ব্যাংক ৩ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা ক্ষতি দেখিয়েছে।

আইএফআইসি ব্যাংকের লোকসান দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা।

ন্যাশনাল ব্যাংক ক্ষতি করেছে ২ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা।

প্রিমিয়ার ব্যাংকের লোকসান হয়েছে ৯৯২ কোটি টাকা।

বিশ্লেষকদের মতে, এসব ব্যাংকের অনেকগুলোর ক্ষেত্রেই দীর্ঘদিন ধরে খেলাপি ঋণ, পুনঃতফসিলের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং দুর্বল ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বড় কারণ হিসেবে কাজ করেছে।

রেকর্ড মুনাফায় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক

যেখানে বেশ কিছু ব্যাংক বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে, সেখানে বহুজাতিক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ২০২৫ সালে ৩ হাজার ২২০ কোটি টাকা নিট মুনাফা করেছে।

এটি দেশের ব্যাংকিং খাতে সর্বোচ্চ মুনাফাকারী ব্যাংক হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শক্তিশালী করপোরেট গভর্ন্যান্স, উন্নত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, উচ্চমানের ঋণ পোর্টফোলিও এবং আন্তর্জাতিক মানের পরিচালনা কাঠামো ব্যাংকটিকে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রেখেছে।

দেশীয় ব্যাংকগুলোর মধ্যে এগিয়ে ব্র্যাক, সিটি ও পূবালী

দেশীয় বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুনাফা করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। ব্যাংকটির নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৫০ কোটি টাকা।

সিটি ব্যাংক ১ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা মুনাফা করেছে।

পূবালী ব্যাংকের নিট মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ৯০ কোটি টাকা।

এ ছাড়া আরও কয়েকটি ব্যাংক ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, যেসব ব্যাংক করপোরেট সুশাসন বজায় রেখেছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ বিতরণে সংযম দেখিয়েছে, তারা তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে রয়েছে।

ব্যাংকের সম্পদের ৫৯ শতাংশ থেকে আয় আসছে না

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো ব্যাংকগুলোর মোট ঋণ ও বিনিয়োগের বড় একটি অংশ থেকে কোনো আয় আসছে না।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে প্রায় ৫৯ টাকা এখন দুর্দশাগ্রস্ত ঋণ বা ডিস্ট্রেসড অ্যাসেটে পরিণত হয়েছে।

অর্থাৎ এই অর্থের বিপরীতে নিয়মিত কিস্তি আদায় হচ্ছে না কিংবা প্রত্যাশিত আয় আসছে না।

২০২৫ সালের শেষে এই ধরনের ঋণের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকা।

দুর্দশাগ্রস্ত ঋণের মধ্যে কী কী রয়েছে
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১০ লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকার মধ্যে প্রায় ৫ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা পুনঃতফসিল করা ঋণ।

বাকি অংশ খেলাপি ঋণ, অবলোপন করা ঋণ এবং আদালতের আদেশে সাময়িকভাবে খেলাপি হিসেবে শ্রেণিকরণ স্থগিত থাকা ঋণ।

এসব মিলিয়ে মোট ঋণের প্রায় ৫৯ শতাংশই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি ব্যাখ্যায় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ডিস্ট্রেসড ঋণের নির্দিষ্ট কোনো সর্বজনস্বীকৃত সংজ্ঞা নেই। সাধারণভাবে যেসব ঋণ থেকে আয় আসে না বা নিয়মিত কিস্তি আদায় হয় না, সেগুলোকে এ ধরনের ঋণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, পুনঃতফসিল করা ঋণের ক্ষেত্রে নিয়মিত কিস্তি আদায় অব্যাহত থাকলে সেগুলোকে সবসময় ডিস্ট্রেসড ঋণ হিসেবে গণ্য করা হয় না।

সামনে কী চ্যালেঞ্জ
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যাংক খাতের এই পরিস্থিতি সাময়িকভাবে উদ্বেগ সৃষ্টি করলেও প্রকৃত আর্থিক চিত্র প্রকাশ পাওয়া দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক পদক্ষেপ।

তাদের মতে, এখন প্রয়োজন—

দুর্বল ব্যাংকগুলোর পুনর্গঠন;
দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ;
ঋণ অনুমোদনে সুশাসন নিশ্চিত করা;
খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধার জোরদার করা;
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকি আরও শক্তিশালী করা;
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী হিসাব ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা চালু করা।

ঢাকা ইনফো২৪

ঢাকা ইনফো২৪ (DhakaInfo24) একটি বাংলাদেশভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, যেখানে সর্বশেষ ব্রেকিং নিউজ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ, রাজনীতি, অর্থনীতি, প্রযুক্তি এবং লাইফস্টাইল বিষয়ক আপডেট নিয়মিত প্রকাশ করা হয়।দ্রুত, নির্ভুল এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রদানই ঢাকা ইনফো২৪-এর মূল লক্ষ্য। আধুনিক সাংবাদিকতার মান বজায় রেখে পাঠকদের জন্য সর্বশেষ খবর সহজ ও স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

📰 ঢাকা ইনফো২৪

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর, প্রবাসীদের তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

আরও পড়ুন