ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মাইজহাটি দরকার শরীফ নিয়ে কতিপয় স্বার্থেন্বেশী ব্যক্তির অপপ্রচারে হয়েছেন ক্ষোদ্ধ হয়েছেন ভক্তবৃন্দ।
সরজমিন মাইজহাটি দরবার শরীফে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি মঙ্গলবার উপজেলার মুসুলী ইউনিয়নের মাইজহাটি সাত্তারিয়া দরবার শরীফে শত শত নারী পুরুষ ও ভক্তবৃন্দের সমাগমে মুখরিত হয়ে উঠে এলাকাটি। দরবার শরীফে আগত ভক্তবৃন্দরা জানান, হযরত আবদুস সাত্তার (রা:) আনুমানিক ৪০ বছর আগে থেকে উক্ত সাত্তারিয়া মাইজহাটি দরবার শরীফ স্থাপন করে। এরপর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতি মঙ্গলবার শত শত নারী পুরুষ ও ভক্তবৃন্দ নিজ নিজ সমস্যা নিয়ে সাত্তারিয়া দরবার শরীফে আসেন।
হযরত আবদুস সাত্তার (রহ:) ২০ বছর পূর্বে তিনি ওফাত বরণ করেন। এরপর থেকেই এই দরবার শরীফের পীর হিসেবে পীর সাহেবজাদা আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মিল্লাত রাব্বী গদীনশীল পীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। পীর মিল্লাত রাব্বী গদিনশীল হওয়ায় পর থেকে উক্ত দরবার শরীফে দিন দিন ভক্তবৃন্দের সংখ্যা বাড়তে থাকে। প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার শত শত নারী পুরুষ ভক্তবৃন্দ হুজুরের কাছে আসেন এর শৃঙ্খলভাবে লাইন বেধে প্রত্যেকেই নিজ নিজ সমস্যার কথা হুজুরের নিকট পেশ করেন। এতে হুজুর বিভিন্ন জনকে বিভিন্ন ধরনের অজিফা তৈল ও পানি পড়া দিয়ে থাকেন। এখানে ব্যবসায়ী সরকারী চাকুরীজীবি সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশা ও বিভিন্ন ধর্মের মানুষ ও আসতে দেখা যায়। সরজমিন ভক্তবৃন্দের অনেকের রোগিদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, হুজুরের কাছে রোগের কথা বললে তিনি ৫ ওয়াক্ত নামাজ ও নামাজের পর বিভিন্ন অজিফান তৈল ও পানি পড়া দিয়ে থাকেন এবং এ নিয়মগুলো পালন করার পর অনেকেই উপকৃত হয়েছেন বলে জানান। হুজুরের নিকট আসলে কোন টাকা পয়সাও লাগে না।
তাই আমরা সহজেই এখানে এসে উপকৃত হচ্ছি। এদিকে উক্ত মাইজহাটি সাত্তারিয়া দরবার শরীফে প্রতি মঙ্গলবার অগণিত নারী পুরুষদের উপস্থিতি দেখে এলাকার একটি কুচক্রি মহল উক্ত দরবার শরীফের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার চালানোর ফলে আগত নারী পুরুষ ও ভক্তবৃন্দ সহ এলাকাবাসীদের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। উল্লেখ্য, আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব পীর মিল্লাত রাব্বী একজন খ্যাতিমান আলেমে দীন ও পীরে কামেল হিসাবে সমাদৃত। তিনি কোরআন সুন্নাহর আলোকে মানুষের আত্মশুদ্ধি নৈতিক উন্নয়ন ও সমাজ সংস্কারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
