নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে যুবদল নেতাকর্মীদের ধাওয়া পালটা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় এলাকায় ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়। উভয়পক্ষের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ভাঙচুর করা হয়। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার তারাব পৌরসভার বরপা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় পুরো এলাকায় আতঙ্কে সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে তাদের দুইপক্ষের লোকজনের মাঝে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। পরে ছাত্রলীগ নেতা রাফিন ভূঁইয়ার লোকজনের একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয় যুবদল নেতা আরজু ভূইয়ার লোকজন। পরে আরজু ভূইয়ার লোকজন ক্ষোভে ছাত্রলীগ নেতা ও তার আত্মীয়-স্বজনের ১৬টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর করে। এতে বাঁধা দিতে এলে ইয়ার হোসেনসহ ৩ জনকে আহত করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলামের নেতৃত্বে রূপগঞ্জ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
রূপগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মুক্তার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতির স্বাভাবিক রয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তা রের চেষ্টা চলছে।