পঞ্চগড়ে কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধা শিক্ষাবৃত্তি ও উপহার সামগ্রী পেলেন জেলার প্রায় দুই শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়াম চত্বর সংলগ্ন মুক্তমঞ্চে জেলা কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশন এই বিতরণীর আয়োজন করে। চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত তিনটি ক্যাটাগরিতে বিজয়ী প্রায় দুই শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষাবৃত্তি তুলে দেওয়া হয়। এতে প্রথম স্থান অধিকারকারী শিক্ষার্থীকে ল্যাপটপ, সেরা সাতজন শিক্ষার্থীকে বাইসাইকেল, ক্রেস্ট, সনদ এবং আর্থিক বৃত্তি বিতরণ করা হয়।
এছাড়া অন্যান্য শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট, সনদ এবং আর্থিক বৃত্তি বিতরণ করা হয়। এসময় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইব্রাহিম, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইকবাল হোসাইন, সেক্রেটারি মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. রাশেদ ইসলাম সহ ফাউন্ডেশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ, পাঠক ফোরাম কর্তৃপক্ষ সহ বিজয়ী শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীরা মেধা যাচাই করে এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন প্রতি বছর চালু রাখার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এই ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশে সহায়ক হবে। পড়াশোনায় আগ্রহী হবে। নতুন নতুন পড়াশোনা ও জ্ঞান বিকাশে নিজেদের যোগ্যতা বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে পারবে। শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের আয়োজন করতে পেরে আনন্দিত আয়োজকেরা।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মো. ইব্রাহিম বলেন, কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশন ৬০০০ শিক্ষার্থীদের নিয়ে মেধাবৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করে। এর মধ্যে আজকে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে বিভিন্ন পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করি শিক্ষার্থীরা আগামী দিনে তাদের মেধার বিকাশ ঘটাবে।
জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইকবাল হোসেন বলেন, কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশন যে পঞ্চগড়ে শিক্ষাবৃত্তির আয়োজন করেছে, আসলে এটি জাতিকে সুখী সমৃদ্ধ একটি বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করবে বলে আমি মনে করি। আমি আয়োজক সহ সংশ্লিষ্টদের সাধুবাদ জানাই।
জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. রাশেদ ইসলাম বলেন, একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে মেধার মূল্যায়নের কোনো বিকল্প নেই। প্রজন্মকে মেধা ও নৈতিকতায় গড়ে তোলার জন্য এই শিক্ষাবৃত্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন।
