কক্সবাজারের পেকুয়ায় গোয়ালঘর থেকে গরু চুরি করে পাহাড়ে নিয়ে জবাই করার অভিযোগ উঠেছে। চোরেরা গরুর মাংস নিয়ে গেলেও জঙ্গলে ফেলে গেছে কাটা মাথা। পরে অভিযান চালিয়ে এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে জবাই করা গরুর মাংসও উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দিবাগত রাতের শেষভাগে উপজেলার টইটং ইউনিয়নের জুমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
চুরি হওয়া গরুটির মালিক সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কাশেম। তাঁর বাড়ির গোয়ালঘর থেকে গরুটি চুরি করে পাহাড়ে নিয়ে জবাই করা হয় বলে অভিযোগ। বুধবার সকালে স্থানীয়রা পাহাড়ি জঙ্গলে গরুটির কাটা মাথা পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাজাখালী, টইটং ও বারবাকিয়া এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের হাজিরপাড়া এলাকার সমশুল আলমের ছেলে ইউনুছ, টইটং ইউনিয়নের জুমপাড়া এলাকার নুরুল আমিনের ছেলে তৌহিদ এবং বারবাকিয়া ইউনিয়নের এক বাসিন্দা।
গরুর মালিক আবুল কাশেম বলেন, ‘আট মাস আগে এক লাখ টাকা দিয়ে গরুটি কিনেছিলাম। এখন এর দাম প্রায় দুই লাখ টাকা হতো। ভোররাতে চোরেরা গোয়ালঘর থেকে গরুটি নিয়ে যায়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও গরুটির সন্ধান পাইনি। পাহাড়ের দিকে খুঁজতে গিয়ে জবাই করা গরুটির মাথা পড়ে থাকতে দেখি। দৃশ্যটি দেখে খুব কষ্ট পেয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং রাজাখালী থেকে গরুর মাংস উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় তিনি মামলা করবেন।
পেকুয়া থানার এসআই কৃষান বলেন, ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।