Dhakainfo24
ঢাকারবিবার , ২২ মার্চ ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. চাকরি
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. বিনোদন
  9. রাজনীতি
  10. শিক্ষা
  11. সর্বশেষ
  12. সারাদেশ
  13. স্বাস্থ্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিলুপ্তপ্রায় দাঁড়িয়াবান্ধা খেলা দেখতে হাজারো মানুষের উপচেপড়া ভিড়

ঢাকা ইনফো২৪
মার্চ ২২, ২০২৬ ৯:২৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কিশোরগঞ্জে আশির দশকের গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী জমজমাট দাঁড়িয়াবান্ধা খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিলুপ্তপ্রায় এ খেলা দেখতে সমবেত হয় বিভিন্ন বয়সি হাজারও মানুষ।

রবিবার (২২ মার্চ) বিকেলে কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নের খিরারচর বাজার সংলগ্ন মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরিফ উদ্দিন আহমেদ কনকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ভিপি সুমন। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি সোহাগ মিয়া।

বড়চর যুব জাগরণ স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে এই খেলায় বড়চর ও খিরারচর গ্রামের খেলোয়াড়েরা দুভাগে বিভক্ত হয়ে হলুদ দল ও লাল দল নামে অংশগ্রহণ করে। এতে হলুদ দল ৯-৬ পয়েন্টের ব্যবধানে বিজয়ী হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে নানা শ্রেণি-পেশার অসংখ্য মানুষ ঐতিহ্যবাহী এ খেলা উপভোগ করে। খেলা শুরু হলে আনন্দ উৎসবে মেতে উঠে উপস্থিত হাজারও দর্শক।

আয়োজক কমিটির সদস্য শিহাব উদ্দিন জানান, দাঁড়িয়াবান্ধা খেলাটি গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা। তবে এখন বিলুপ্তপ্রায়। এখনকার তরুণ প্রজন্মের কাছে এ খেলাকে পরিচিত করতে এবং ঈদ পরবর্তী আনন্দ উপভোগ করতে একসময়ের অতি পরিচিত গাঁও-গেরামের ঐতিহ্যবাহী দাঁড়িয়াবান্ধা খেলার আয়োজন করা হয়।

অন্য গ্রাম থেকে খেলা দেখতে আসা মনিরুজ্জামান ও রইছ উদ্দিন বলেন, একসময় গ্রামাঞ্চলের পথে-ঘাটে, মাঠে বা রাস্তার পাশে সব বয়সি মানুষ এই খেলায় মেতেছে। হৈ চৈ আর আনন্দ উৎসবে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত চলত এই খেলা।

দর্শনার্থী ওমর মাহমুদ ফারুক বলেন, এখন আর দেখা যায় না গাঁও-গেরামের ঐতিহ্যবাহী দাঁড়িয়াবান্ধা খেলা। কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে এই খেলাটি। আর তাই বর্তমান প্রজন্মের কাছে গ্রামাঞ্চলের পুরোনো সংস্কৃতি তুলে ধরে ফ্রি ফায়ার ও পাবজীর মতো ভয়ংকর সংস্কৃতির প্রভাব থেকে মুক্ত করতে ঐতিহ্যবাহী এই খেলার আয়োজন করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আজিজুল ইসলাম বলেন, হারিয়ে যাওয়া খেলাকে আমরা বাঁচিয়ে রাখতে চাই। আর এই খেলার মধ্যে রয়েছে নির্মল আনন্দ। এখন অপসংস্কৃতি গ্রাস করছে যুবসমাজকে। তাদের প্রকৃত সংস্কৃতিতে ফিরিয়ে আনতেই এই গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলার আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি সাইফুল ইসলাম ভিপি সুমন বলেন, এসব খেলা আজ কালের গর্ভে হারিয়ে যেতে বসেছে। আর তাই বর্তমান প্রজন্মের কাছে গ্রামাঞ্চলের পুরোনো খেলাধুলা তুলে ধরে ফ্রি ফায়ার ও পাবজীর মতো ভয়ংকর সংস্কৃতির প্রভাব থেকে মুক্ত করতে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার খেলার বিকল্প নেই। সে ক্ষেত্রে আমাদের সবার এগিয়ে আসতে হবে। প্রতি বছর এ ধরনের খেলার আয়োজন করা উচিত।



সালাউদ্দিন/সাএ

ঢাকা ইনফো২৪

ঢাকা ইনফো ২৪ একটি বহুমুখী তথ্য বাতায়ন যেখানে আপনি পাবেন ব্রেকিং নিউজ, লাইফস্টাইল গাইড এবং ক্যারিয়ার বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ সব আপডেট। আপনার প্রতিদিনের তথ্যের চাহিদা মেটাতে আমরা আছি আপনার পাশে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।