শৈশবের সেই স্মৃতি: অধ্যাপক গোলাম আযমের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ

শৈশবের সেই স্মৃতি: অধ্যাপক গোলাম আযমের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ

✍🏿 মোহাম্মদ মাহবুব হোসাইন

একটি শুক্রবারের স্মৃতি, শিশুমনের বিস্ময় এবং সময়ের পরিক্রমায় একজন পরিচিত ব্যক্তিত্বকে নতুন করে আবিষ্কারেরগল্প।

মানুষের জীবনে কিছু স্মৃতি থাকে, যা সময়ের প্রবাহে কখনো মলিন হয় না। শৈশবের কোনো একটি সাধারণ দিন, অচেনা কারও স্নেহভরা আচরণ কিংবা হঠাৎ ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা বহু বছর পরও মনের গভীরে অমলিন হয়ে থাকে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ বড় হয়, অভিজ্ঞতার পরিধি বিস্তৃত হয়, পরিচিতির জগৎ বদলে যায়; কিন্তু শৈশবের কিছু মুহূর্ত স্মৃতির পাতায় চিরদিনের জন্য জায়গা করে নেয়। আমার জীবনেও তেমনই একটি স্মরণীয় ঘটনা রয়েছে, যা জড়িয়ে আছে এদেশের মুক্তিকামী মানুষের অবিসংবাদিত নেতা ভাষা সৈনিক অধ্যাপক গোলাম আযমের সঙ্গে আমার প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতিতে।

আজ তাঁর শাহাদাত দিবসে শৈশবের সেই দিনের কথা বিশেষভাবে মনে পড়ছে। স্মৃতির দরজা খুললেই যেন ফিরে যাই সেই সময়টিতে, যখন আমি পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। বই পড়ার প্রতি গভীর আগ্রহ তৈরি হয়েছে, আর পৃথিবীকে জানার কৌতূহল প্রতিনিয়ত আমাকে নতুন অভিজ্ঞতার দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে।

আমার শৈশবের দিনগুলোতে বই পড়ার প্রতি একধরনের বিশেষ আকর্ষণ তৈরি হয়েছিল। সেই আকর্ষণকে আরও গভীর করে তুলেছিল খিলগাঁও ইসলামী পাঠাগার ও সমাজকল্যাণ পরিষদের সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা। পাঠাগারটি তখন আমাদের প্রিয়জন মুহাম্মদ ইকবাল করিম নেপু ভাইদের বাসার সামনের একটি ছোট্ট জায়গায় কার্যক্রম পরিচালনা করত। ঠিকানা ছিল ৪৪৩/সি, খিলগাঁও, ঢাকা।

পাঠাগারের সদস্য হওয়ার পর থেকেই নিয়মিত বই নিয়ে পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে। বইয়ের পাতায় পাতায় নতুন জগৎ আবিষ্কার করতাম। কখনো ইতিহাস, কখনো জীবনী, কখনো জ্ঞান ও মননকে সমৃদ্ধ করে এমন নানা বিষয়ের বই আমাকে আকৃষ্ট করত। সেই বয়সে হয়তো সবকিছু গভীরভাবে বোঝার মতো পরিপক্বতা ছিল না, কিন্তু জানার আগ্রহ ছিল প্রবল।

যতদূর মনে পড়ে, সে সময় পাঠাগারের লাইব্রেরিয়ান ছিলেন হাফেজ মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন ভাই। তাঁর আন্তরিকতা, স্নেহপূর্ণ আচরণ এবং আমাদের সঙ্গে সহজভাবে মিশে যাওয়ার বিষয়টি আজও মনে পড়ে। তিনি আমাদের সঙ্গে অত্যন্ত আপনজনের মতো কথা বলতেন। শৈশবের স্মৃতিতে কিছু মানুষের উপস্থিতি এমনভাবে গেঁথে যায় যে, বহু বছর পরও তাঁদের কথা মনে হলে একধরনের মমতা অনুভব করি। কামাল ভাই তাঁদেরই একজন। জানি না, আজ তিনি কেমন আছেন, কোথায় আছেন। তবে স্মৃতির পরিসরে তিনি এখনো সস্নেহে উপস্থিত।

একটি পাঠাগার যে কেবল বই ধার দেওয়া ও পড়ার জায়গা নয়, বরং মানুষের মনন গঠনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র, শৈশবের সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বিষয়টি উপলব্ধি করতে শিখেছিলাম। পাঠাগারটি আমার কৌতূহলী মনকে আরও বিস্তৃত পৃথিবীর সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল।

এক শুক্রবার সকালে পাঠাগারে বই পড়ার ওপর আয়োজিত একটি উন্মুক্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করি। তখনকার দিনে এ ধরনের আয়োজন আমাদের মতো ছোটদের জন্য ছিল আনন্দের, আগ্রহের এবং নিজেদের জানাশোনাকে যাচাই করার একটি সুযোগ। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে বইয়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করার পাশাপাশি নতুন কিছু শেখারও সুযোগ তৈরি হয়েছিল।

প্রতিযোগিতা শেষে পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শহীদ আবুল কাশেম ভাইয়ের সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করতে মগবাজারের একটি মসজিদে যাই। তখন আমার কাছে এটি ছিল শুক্রবারের একটি স্বাভাবিক ধর্মীয় অভিজ্ঞতা। কিন্তু কে জানত, সেই দিনটির স্মৃতি বহু বছর পরও এভাবে মনে গেঁথে থাকবে!

মসজিদে পৌঁছানোর পর নামাজের আগে সফেদ পায়জামা-পাঞ্জাবি পরা একজন ব্যক্তিকে বাংলায় খুতবা দিতে দেখলাম। সাধারণত মসজিদে যেভাবে খুতবা শুনতে অভ্যস্ত ছিলাম, তাঁর উপস্থাপনার ধরনটি আমার কাছে কিছুটা ব্যতিক্রম মনে হলো। তাঁর কথা বলার ভঙ্গি, বক্তব্যের বিন্যাস এবং শ্রোতাদের সামনে বিষয় উপস্থাপনের ধরন আমার শিশুমনে আলাদা একটি ছাপ ফেলেছিল।

মসজিদে উপস্থিত মুসল্লিদেরও আমার কাছে কিছুটা ভিন্ন মনে হচ্ছিল। তাঁদের অনেকেই ওই ব্যক্তিকে ঘিরে বিশেষ মনোযোগ নিয়ে উপস্থিত ছিলেন বলে আমার মনে হয়েছিল। অবশ্য তখন এসবের তাৎপর্য বোঝার মতো বয়স আমার ছিল না। আমি শুধু দেখছিলাম, শুনছিলাম এবং নিজের মতো করে সবকিছু উপলব্ধি করার চেষ্টা করছিলাম।

শৈশবে আমরা অনেক কিছুই দেখি, কিন্তু তার প্রকৃত অর্থ বুঝতে পারি না। কোনো ঘটনা তখন আমাদের কাছে সাধারণ মনে হলেও পরবর্তী জীবনে তার গুরুত্ব নতুনভাবে ধরা দেয়। সেদিনের সেই অভিজ্ঞতাও ছিল তেমনই।

জুমার নামাজ শেষে একটি দৃশ্য আজও স্পষ্ট মনে পড়ে। নামাজের পর উপস্থিত মুসল্লিরা ওই ব্যক্তিকে ঘিরে দাঁড়ালেন। তাঁরা একে একে তাঁর সঙ্গে হাতে হাত রেখে মুসাফাহা করছিলেন। আমিও অন্যদের মতো তাঁর কাছে এগিয়ে গেলাম।

আমার মতো একটি ছোট্ট শিশুর সঙ্গে তিনি আন্তরিকভাবে হাত মেলালেন। আমার দিকে কিছুটা ঝুঁকে এসে আমার নাম জানতে চাইলেন। জানতে চাইলেন, আমি কোথা থেকে এসেছি। এরপর স্নেহভরে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন।

ঘটনাটি হয়তো সময়ের হিসাবে কয়েক মুহূর্তের বেশি ছিল না। কিন্তু শিশুমনে এমন স্নেহপূর্ণ আচরণ যে গভীর ছাপ ফেলতে পারে, তা আজও অনুভব করি। তখন তাঁর পরিচয় জানতাম না, তাঁর সামাজিক অবস্থান কিংবা রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসর সম্পর্কেও কোনো ধারণা ছিল না। তিনি আমার কাছে ছিলেন একজন অচেনা মানুষ, যিনি আমার সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেছেন এবং স্নেহের পরশ দিয়েছেন।

মানুষের পরিচয় জানার আগেই কখনো কখনো তার আচরণ আমাদের মনে জায়গা করে নেয়। কোনো ব্যক্তির নাম, পদবি কিংবা পরিচিতি নয়, তার সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের অনুভূতিটিই তখন মুখ্য হয়ে ওঠে। আমার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছিল। সেদিনের সেই মুসাফাহা ও মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়ার স্মৃতি আমার শৈশবের এক বিশেষ মুহূর্ত হয়ে রইল।

জুমার নামাজ শেষে শহীদ আবুল কাশেম ভাইয়ের সঙ্গে রিকশায় করে বাসায় ফিরছিলাম। পথের মধ্যে তিনি আমাকে একটি প্রশ্ন করলেন, “তুমি কি জানো, মসজিদে নামাজ পড়ানো ইমাম কে ছিলেন?”

আমি জানালাম, তাঁর নাম আমি জানি না। তখন তিনি বললেন, “তাঁর নাম অধ্যাপক গোলাম আযম।”

এই একটি বাক্যের মধ্য দিয়েই আমার জীবনে তাঁর নামের সঙ্গে প্রথম পরিচয় ঘটে। সেদিন মসজিদে যাঁকে দেখেছিলাম, যাঁর খুতবা শুনেছিলাম, যাঁর সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলাম এবং যাঁর স্নেহভরা আচরণ পেয়েছিলাম, তিনি যে অধ্যাপক গোলাম আযম, তা জানতে পারলাম রিকশায় ফেরার পথে।

সেই প্রথম তাঁর নাম জানলাম, সেই প্রথম তাঁকে চিনলাম।

শৈশবের স্মৃতিতে ঘটনাটি আজও যেন একটি ছোট্ট দৃশ্যের মতো জীবন্ত হয়ে আছে। মসজিদের পরিবেশ, সফেদ পায়জামা-পাঞ্জাবি পরা মানুষটি, নামাজের পর মুসল্লিদের মুসাফাহা, তাঁর সঙ্গে আমার সংক্ষিপ্ত কথোপকথন এবং রিকশায় ফেরার পথে পাওয়া পরিচয়—সবকিছু মিলিয়ে দিনটি আমার স্মৃতির ভান্ডারে একটি স্বতন্ত্র জায়গা করে নিয়েছে।

সেই প্রথম সাক্ষাতের পর জীবনের বিভিন্ন সময়ে অধ্যাপক গোলাম আযমের সান্নিধ্যে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। দীর্ঘ একটা সময় বিভিন্ন ফোরামে তাঁর বক্তব্য শোনারও সুযোগ পেয়েছি। ফলে শৈশবের সেই ক্ষণিকের পরিচয় পরবর্তী জীবনে আরও বিস্তৃত অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

তাঁর বক্তব্য উপস্থাপনের ধরন, বিষয়কে ধারাবাহিকভাবে ব্যাখ্যা করার পদ্ধতি এবং ইসলামী বিষয়ে তাঁর আলোচনার প্রতি আমার বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। বক্তব্য শোনার সময় কোনো বিষয়ের ব্যাখ্যা কীভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যুক্তিগুলো কীভাবে সাজানো হচ্ছে এবং শ্রোতাদের সামনে বিষয়টি কতটা সুসংবদ্ধভাবে তুলে ধরা হচ্ছে, এসব বিষয় আমার মনোযোগ আকর্ষণ করত।

আমার ব্যক্তিগত উপলব্ধিতে, ইসলামী জ্ঞানচর্চা ও ধর্মীয় বিষয়ে তাঁর বক্তব্য উপস্থাপনের ধরন আমাকে বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছিল। একজন মানুষের ব্যক্তিত্বকে বুঝতে হলে তাঁর সঙ্গে প্রত্যক্ষ পরিচয়ের পাশাপাশি তাঁর চিন্তা, বক্তব্য ও কাজের সঙ্গেও পরিচিত হওয়া প্রয়োজন। আমার ক্ষেত্রেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই পরিচয়ের পরিসর বিস্তৃত হয়েছে।

তবে শৈশবের প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতি এবং পরবর্তী জীবনে তাঁর বক্তব্য শোনার অভিজ্ঞতা; দুটিকে আমি আলাদা দুটি অধ্যায় হিসেবে দেখি। প্রথমটি আবেগ ও স্নেহের স্মৃতি; দ্বিতীয়টি পর্যবেক্ষণ, শোনা ও ব্যক্তিগত উপলব্ধির অভিজ্ঞতা। এই দুইয়ের সমন্বয়েই তাঁর সঙ্গে আমার পরিচয়ের স্মৃতিচিত্রটি পূর্ণতা পেয়েছে।

জীবনের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আজ যখন শৈশবের সেই দিনটির কথা ভাবি, তখন উপলব্ধি করি, মানুষের জীবনে কিছু পরিচয় কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই ঘটে যায়। আমরা জানিও না, একটি সাধারণ দিনের ছোট্ট ঘটনা ভবিষ্যতে আমাদের স্মৃতির কতটা গভীরে জায়গা করে নেবে।

আমি যখন পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিলাম, তখন অধ্যাপক গোলাম আযমের সঙ্গে সেই সাক্ষাতের ভবিষ্যৎ তাৎপর্য বোঝার কোনো সুযোগ ছিল না। তাঁর নামও জানতাম না। জানতাম না, পরবর্তী সময়ে তাঁর বক্তব্য শোনার আরও সুযোগ হবে এবং তাঁর সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতি বহু বছর পরও আমাকে এভাবে অতীতে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।

আজ সেই স্মৃতির দিকে ফিরে তাকালে সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে একটি শিশুর প্রতি একজন মানুষের আন্তরিক আচরণের কথা। একজন অচেনা শিশুর নাম জানতে চাওয়া, তার সঙ্গে হাত মেলাতে কিছুটা ঝুঁকে আসা এবং স্নেহভরে মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়া; এসব ছোট ছোট আচরণই আমার স্মৃতিতে স্থায়ী হয়ে আছে।

একই সঙ্গে এটাও সত্য, কোনো ঐতিহাসিক বা জনপরিচিত ব্যক্তিত্বকে মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর জীবনের বিভিন্ন দিক, কর্মকাণ্ড ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ একজন মানুষের সঙ্গে আমাদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতাকে তুলে ধরে; আর বৃহত্তর মূল্যায়নের জন্য প্রয়োজন আরও বিস্তৃত তথ্য ও পর্যালোচনা। আমার এই লেখার মূল উদ্দেশ্য কোনো সামগ্রিক ঐতিহাসিক মূল্যায়ন নয়; বরং শৈশবের একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতাকে পাঠকের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া।

আজ তাঁর শাহাদাত দিবসে শৈশবের সেই দিনের স্মৃতি আবারও মনের পর্দায় ভেসে উঠছে। খিলগাঁও ইসলামী পাঠাগারের বই পড়ার দিনগুলো, হাফেজ মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন ভাইয়ের আন্তরিকতা, শহীদ আবুল কাশেম ভাইয়ের সঙ্গে মসজিদে যাওয়া, জুমার নামাজের পর সেই মুসাফাহা এবং রিকশায় ফেরার পথে অধ্যাপক গোলাম আযমের নাম জানা—সবকিছু যেন একই সূত্রে গাঁথা।

সময়ের সঙ্গে অনেক ঘটনা বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যায়। কিন্তু কিছু স্মৃতি হৃদয়ের এমন এক জায়গায় থেকে যায়, যেখানে সময়ের ধুলো সহজে জমতে পারে না। আমার কাছে অধ্যাপক গোলাম আযমের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতি তেমনই একটি স্মৃতি।

শৈশবের সেই ছোট্ট ঘটনাটি আমার জীবনের একটি বিশেষ অধ্যায় হয়ে আছে। আজও যখন সেই দিনের কথা মনে পড়ে, তখন মনে হয়, জীবনের কিছু মুহূর্তের মূল্য তাদের স্থায়িত্বে নয়, বরং আমাদের মনে রেখে যাওয়া অনুভূতিতে।

মহান আল্লাহ তাঁর প্রতি রহমত ও মাগফিরাত নাজিল করুন। তাঁর জীবনের ভুলত্রুটি ক্ষমা করুন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। একই সঙ্গে আমাদের সবাইকে স্মৃতি থেকে শিক্ষা গ্রহণ, সত্যকে উপলব্ধি এবং জীবনের প্রতিটি অভিজ্ঞতাকে প্রজ্ঞার সঙ্গে মূল্যায়ন করার তাওফিক দান করুন।

শৈশবের সেই সাক্ষাৎ আজও আমার মনে অমলিন; একটি শুক্রবারের স্মৃতি, একটি স্নেহভরা মুসাফাহা এবং একটি নামের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার গল্প।

লেখক:
ফ্রান্স থেকে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী
[email protected]

ঢাকা ইনফো২৪ (DhakaInfo24) একটি বাংলাদেশভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, যেখানে সর্বশেষ ব্রেকিং নিউজ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ, রাজনীতি, অর্থনীতি, প্রযুক্তি এবং লাইফস্টাইল বিষয়ক আপডেট নিয়মিত প্রকাশ করা হয়।দ্রুত, নির্ভুল এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রদানই ঢাকা ইনফো২৪-এর মূল লক্ষ্য। আধুনিক সাংবাদিকতার মান বজায় রেখে পাঠকদের জন্য সর্বশেষ খবর সহজ ও স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।