আন্তর্জাতিক মা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মায়ের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তিনি সব মায়ের সুস্বাস্থ্য, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
রোববার (১০ মে) এক বাণীতে তিনি বলেন, সন্তানের সাফল্যের পেছনে মায়ের ত্যাগ, সংগ্রাম ও অনুপ্রেরণার ভূমিকা অপরিসীম। সন্তানকে সুশিক্ষিত ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে মায়েরা নিরলসভাবে কাজ করেন এবং জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে আপসহীন ভূমিকা পালন করেন।
তিনি আরও বলেন, পরিবারে মা এক মহিমান্বিত ও অপরিহার্য প্রতিষ্ঠান। মায়ের শিক্ষা ও আদর্শই শিশুর ভবিষ্যৎ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একজন স্নেহময়ী ও সচেতন মায়ের সান্নিধ্যে সন্তানের নৈতিকতা, মানবিকতা ও ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আশ্রয় হচ্ছেন মা। মাকে সম্মান ও ভালোবাসা জানানোর জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিনের প্রয়োজন না হলেও মা দিবস সেই অনুভূতি প্রকাশের একটি বিশেষ উপলক্ষ।
বাণীতে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–র অবদানের কথাও স্মরণ করেন। তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ও সমাজে নারীদের অগ্রগতিতে খালেদা জিয়ার ভূমিকা দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে।
আর্থিক ও সামাজিক অগ্রগতিতেও তার ভূমিকা ‘কিংবদন্তিতুল্য’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও খালেদা জিয়া তার দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত হননি। এ কারণে তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে ‘গণতন্ত্রের মা’ হিসেবে শ্রদ্ধেয় হয়ে আছেন।
মির্জা ফখরুল দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবাই যেন মায়েদের প্রতি যথাযথ সম্মান ও দায়িত্ব পালন করেন। কারণ, সন্তানদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে মায়ের মর্যাদা সম্পর্কে সচেতনতা জরুরি।
কুশল/সাএ