বিএনপি-জামায়াত জোট শাসনামলে জঙ্গিবাদ ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার নেপথ্য ইতিহাস

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০১-২০০৬ সালের জোট সরকারের শাসনামল ছিল উগ্রবাদী জঙ্গিগোষ্ঠীর উত্থানের এক কালো অধ্যায়। অনুসন্ধানে দেখা যায়, নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবি (জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ) এর সন্ত্রাসীদের পরিবারের সিংহভাগই সরাসরি জামায়াত এবং জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। তৎকালীন বিএনপির প্রভাবশালী এমপি ও মন্ত্রীরা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিশেষ করে আওয়ামী লীগকে দমনের হীন উদ্দেশ্যে এই জঙ্গিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করতেন। এর একটি প্রকট উদাহরণ পাওয়া যায় কক্সবাজার সদর আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. শহীদুজ্জামানের কর্মকাণ্ডে। তার উপস্থিতিতে বিএনপির এক দলীয় সভায় জেএমবি ক্যাডার জাবেদ ইকবাল ওরফে মুহাম্মদের মুক্তির জন্য প্রকাশ্যে দোয়া করা হয়েছিল। উল্লেখ্য যে, এই জাবেদ ওরফে মুহাম্মদ ছিল চট্টগ্রাম বিভাগীয় জেএমবি কমান্ডার এবং ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলাসহ বিচারক হত্যা ও চট্টগ্রাম আদালতে বোমা হামলার প্রধানতম আসামি। তার পারিবারিক পরিচয় বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তার পিতা মাওলানা আবদুল আউয়াল ছিলেন জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের একজন প্রভাবশালী নেতা।
জঙ্গি সংগঠনগুলোর শিকড় বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, জেএমবির অধিকাংশ শীর্ষ নেতাই তাদের ছাত্রজীবনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ক্যাডার হিসেবে রাজনীতি শুরু করেছিল। এমনকি অনেক কুখ্যাত জঙ্গির পিতারা একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দোসর হিসেবে রাজাকার ও আল বদর বাহিনীর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেছে। পরবর্তীতে তারা রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সখ্য গড়ে তোলে। ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট গোপালগঞ্জে বোমা হামলার মূল হোতা জিয়াউর রহমান ওরফে সাব্বির ওরফে সাগর ছিল এমনই এক আদর্শিক উত্তরসূরি। নাটোর জেলার শাইলকোন গ্রামের এই সাব্বির মাদ্রাসায় পড়ার সময় ছাত্রশিবিরের সক্রিয় ‘সাথী’ ছিল। পরবর্তীতে সে জেএমবিতে যোগ দিয়ে গোপালগঞ্জ, সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
রাজশাহী ও নওগাঁর বিস্তীর্ণ জনপদ এক সময় বাংলা ভাইয়ের জঙ্গিদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছিল। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত সরকারের সরাসরি নির্দেশে এবং প্রশাসনের প্রকাশ্য সহযোগিতায় সেখানে নৃশংস তান্ডব চালানো হয়। জেএমবির দুই শীর্ষ নেতা সিদ্দিকুর রহমান ওরফে বাংলা ভাই এবং শায়খ আবদুর রহমান অত্যন্ত দাপটের সঙ্গে তৎকালীন বিএনপির এমপিদের বাসভবন, ইউপি চেয়ারম্যানের কার্যালয় এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে গিয়ে নিয়মিত বৈঠক করত। ২০০৪ সালে রাজশাহীর বাগমারা ও নওগাঁর রানীনগর ইউপি ভবনে বসে জনসমক্ষে নাশকতার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করত এই শীর্ষ জঙ্গিরা, যেখানে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত থাকত। তৎকালীন গণমাধ্যমে এসব বৈঠকের স্থিরচিত্রসহ সবিস্তারে সংবাদ প্রকাশিত হলেও খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকার না দেখার ভান করে কৌশলে জঙ্গিবাদকে উস্কে দিয়েছিল।
১৭ আগস্টের দেশব্যাপী ভয়াবহ হামলার পর যখন জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা, তখন উল্টো বাংলা ভাইয়ের মতো খুনিদের বিএনপি নেতাদের বাড়িতে গোপন আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় জামায়াতের শীর্ষ নেতারা জেএমবিকে তাদের দলের সঙ্গে একীভূত করার একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবও পেশ করেছিল। যদিও জেএমবি সদস্যরা নিজেদের স্বাধীন কর্মপদ্ধতি বজায় রাখার স্বার্থে সেই প্রস্তাবে সরাসরি রাজি হয়নি, তবে তারা পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে এবং অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে ভবিষ্যতে একসাথে জঙ্গি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে ঐক্যমতে পৌঁছায়। এর ফলে বিভিন্ন নাশকতামূলক অপারেশনে জামায়াত-শিবির ও জেএমবি ক্যাডারদের যৌথ অংশগ্রহণের পথ প্রশস্ত হয়।
জামায়াত ও জেএমবির এই অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের পাশাপাশি বিএনপির সাথে তাদের গোপন আঁতাতের বিষয়টিও একসময় জনসমক্ষে ফাঁস হতে শুরু করে। তৎকালীন সরকারের ছত্রছায়ায় থাকা জেএমবি ও বাংলা ভাইয়ের হাতে নির্যাতিত ও স্বজনহারা পরিবারগুলো সাহস করে সত্য বলতে শুরু করলে খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভার তিন সদস্য, এক এমপি এবং রাজশাহীর মেয়রের নাম মূল হোতা হিসেবে উঠে আসে। বিশেষ করে তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে, তিনি নওগাঁর রাণীনগর ও ভোপাড়ার সাধারণ মানুষের ওপর জঙ্গিদের লেলিয়ে দিয়েছিলেন এবং নিজ হাতে অনেকের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেছিলেন।
নওগাঁ অঞ্চলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যে অবর্ণনীয় নির্যাতন চালানো হয়েছিল, তার নেপথ্যে ছিল প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবিরের সরাসরি মদদ। তার শাসনামলে আত্রাই-রানীনগরের হিন্দু যুবকদের ভয় দেখিয়ে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত জেএমবি জঙ্গিরা। এমনকি একজন প্রাক্তন সেনাসদস্যকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত জেএমবি সন্ত্রাসী রুস্তমকে মামলার পর গ্রেফতার করা হলেও প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশে তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় পুলিশ। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রতিমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে শায়খ আবদুর রহমানের জামাতা আবদুল আউয়াল ১৭ আগস্টের বোমা হামলার পর আত্রাইয়ের ভরতেতুলিয়া গ্রামে দীর্ঘকাল আত্মগোপনে ছিল। রুস্তম ও তার চাচাতো ভাই মোয়াজ্জেম প্রতিমন্ত্রীর ‘শেল্টারে’ থেকে নির্বিঘ্নে জেএমবির সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করত।
একই চিত্র দেখা গিয়েছিল বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জেও। ২০০৫ সালের শুরুর দিকে সেখানে হরকত-উল-জিহাদ (হুজি) নেতা মুফতি হান্নানের অনুসারীদের অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো সরাসরি বিএনপি নেতাদের তত্ত্বাবধানে। বিএনপি নেতা মাওলানা আবদুল খালেকের নেতৃত্বে এই প্রশিক্ষণ ক্যাম্প পরিচালিত হওয়ার বিষয়টি খোদ মোড়েলগঞ্জ থানা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক খান আলতাফ হোসেন এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামছুল আলম তালুকদার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দেশবাসীকে জানিয়েছিলেন।
খুলনা অঞ্চলের দুর্ধর্ষ জঙ্গি সন্ত্রাসী শোয়েব ওরফে রিপনের পারিবারিক পরিচয়ও অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর। তার পিতা মাওলানা আব্দুল ওহাব ছিলেন জামায়াত নেতা মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর আধ্যাত্মিক গুরু। ওহাব ‘বুলবুলে বাংলাদেশ’ নামক একটি সংগঠনের আড়ালে জামায়াতি আদর্শ প্রচার করতেন। এই পারিবারিক সম্পর্কের সূত্র ধরে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী তার পিরোজপুরের এক আত্মীয়র সাথে শোয়েবের বিয়ে দিয়েছিলেন। শোয়েব দিনের বেলা তথাকথিত ‘জনযুদ্ধ’ এর কমান্ডারের পোশাক পরলেও রাতে উগ্র ধর্মীয় জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করত। তার দুই ভাই সুমন ও কামরুলও এই নাশকতায় জড়িত ছিল। কামরুলকে একবার র্যাব গ্রেফতার করলেও সাঈদীর সরাসরি সুপারিশে এবং খালেদা জিয়ার নির্দেশে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
২০০৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীর বাগমারায় জামায়াতের প্রত্যক্ষ মদদে আওয়ামী লীগ নিধনের যে তান্ডব চালানো হয়, তা ছিল মানব ইতিহাসের অন্যতম কলঙ্কিত অধ্যায়। বাংলা ভাইয়ের বাহিনী সেখানে অন্তত ২২ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করে এবং ১০ জনকে গুম করে। অমানুষিক নির্যাতনে পঙ্গুত্ব বরণ করে শতাধিক মানুষ এবং প্রাণভয়ে এলাকা ছাড়ে হাজার হাজার গ্রামবাসী। নওগাঁর আবদুল কাইয়ুম বাদশাকে হত্যার পর বগুড়ার নন্দীগ্রামে নিয়ে গিয়ে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা কিংবা মা-বাবার সামনে আত্রাইয়ের ছাত্রলীগ নেতা খেজুর আলীকে চার টুকরো করে মাটিতে পুঁতে ফেলার মতো পৈশাচিক ঘটনা ঘটার পরও তৎকালীন জোট সরকার বাংলা ভাইয়ের সাফাই গেয়েছিল। এমনকি সরকারি নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশনে তাকে ‘শান্তির দূত’ হিসেবে উপস্থাপন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল।

বাংলা ভাইয়ের প্রধান সহযোগী ড. গালিব এবং বোমারু মহসীন দীর্ঘ তিন বছর ধরে রাজশাহী অঞ্চলের মসজিদগুলোকে ব্যবহার করে জঙ্গিবাদের বিষবাষ্প ছড়ালেও পুলিশ তাদের স্পর্শ করার সাহস পায়নি। এর কারণ ছিল বিএনপি-জামায়াতের শীর্ষ মন্ত্রী ও এমপিদের দেওয়া ‘ক্লিনচিট’। ২০০৪ সাল থেকে রাজশাহীর আলোকনগর গ্রামে চিহ্নিত রাজাকার রমজান আলীর বাড়িতে বাংলা ভাই তার প্রধান ঘাঁটি ও ‘টর্চার সেল’ গড়ে তুলেছিল। সেখানে আওয়ামী লীগ কর্মীদের ধরে নিয়ে এসে ‘সর্বহারা’ আখ্যা দিয়ে চরম নির্যাতন করা হতো। জামায়াত অধ্যুষিত সেই গ্রামে জেএমবির সশস্ত্র ক্যাডাররা দিনরাত পাহারা দিত। সেখানে প্রকাশ্যে জনসমক্ষে বহু মানুষকে জবাই করা হতো এবং কপিকলে উল্টো করে বেঁধে হাতুড়ি দিয়ে পেটানোর সময় সেই আর্তনাদ মাইকের মাধ্যমে গ্রামবাসীকে শোনানো হতো যাতে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস না পায়। এসব লোমহর্ষক ঘটনার প্রতিটি বিবরণ তৎকালীন জাতীয় দৈনিকে সচিত্র প্রকাশিত হলেও খালেদা জিয়ার সরকার কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা এবং দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার মূল কারিগর মুফতি হান্নানকে যখন র্যাব গ্রেফতার করে, তখন জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে বিএনপি-জামায়াতের মন্ত্রী-এমপিরা সেই বিষয়টিকে হাসিঠাট্টায় পরিণত করেছিলেন। কোটালিপাড়া বিএনপি নেতা মতিয়ার রহমান মতির ভাই মুফতি হান্নানকে তারা ‘সহজ-সরল ও নিষ্পাপ’ মানুষ হিসেবে দাবি করে বক্তৃতা দিয়েছিলেন। এমনকি বিএনপির কোনো কোনো সদস্য সংসদে দাঁড়িয়ে দাবি করেছিলেন যে, আওয়ামী লীগ নিজেরাই বোমা পুঁতে রেখে নির্দোষ হুজির ওপর দোষ চাপাচ্ছে। অথচ গ্রেফতারের পর মুফতি হান্নান স্বীকার করেছিল যে, জোট সরকারের প্রভাবশালী মহলের সাথে তার গভীর যোগাযোগ ছিল।
র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে হান্নান চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রদান করে জানায় যে, ১৭ আগস্টের ভয়াবহ হামলার পরও সে দেশ ছাড়েনি কারণ তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী তাকে অভয় দিয়েছিলেন। ইসলামী ঐক্যজোটের নেতা মাওলানা মুহিউদ্দিন খান তাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং মন্ত্রী তাকে ক্ষমা প্রার্থনার আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এই আসামি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং তারেক রহমানের ‘হাওয়া ভবন’ থেকে তার পক্ষে জোরালো সুপারিশ করা হয়। এই সুপারিশের পেছনে সরাসরি সক্রিয় ছিলেন প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির, উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সংসদ সদস্য নাদিম মোস্তফা এবং রাজশাহীর তৎকালীন মেয়র মিজানুর রহমান মিনু।
পরবর্তীতে জানা যায়, হরকত উল জিহাদ ও জেএমবি আসলে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। তারা যৌথভাবে অপারেশন পরিচালনা করত এবং পারস্পরিক লোকবল বিনিময় করত। মুফতি হান্নান তার ভাই মতিয়ার রহমান মতির মাধ্যমে সরাসরি তারেক রহমান ও খালেদা জিয়ার নির্দেশনা গ্রহণ করত এবং যেকোনো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড সফলভাবে শেষ করার পর তাদের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করত। এই সুগভীর আঁতাত প্রমাণ করে যে, তৎকালীন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেই বাংলাদেশের মাটিতে জঙ্গিবাদের বিষবৃক্ষ রোপণ ও পরিচর্যা করা হয়েছিল।
