তালার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহকারী মামুনুর রহমান মামুনের বিরুদ্ধে সরকারি টিন বিতরণের সময় উপকারভোগীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) ত্রাণসামগ্রী টিন বিতরণের সময় এই ঘটনা ঘটে, যার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভুক্তভোগী কাজী নজরুল ইসলাম জানান, তিনি অত্যন্ত দরিদ্র এবং তার স্ত্রী অসুস্থ। তিনি ইউএনও অফিসে টিনের জন্য আবেদন করেছিলেন। টিন আসার পর পিআইও অফিসের লোকজন তার কাছে তিন হাজার টাকা দাবি করে এবং টাকা না দিলে টিন দেওয়া হবে না বলে জানায়। বাধ্য হয়ে তিনি রাতে আড়াই হাজার টাকা দেন, এরপর মামুন তাকে টিন দেন।
নজরুল ইসলাম আরও উল্লেখ করেন, প্রতি বান টিনের জন্য সংস্করণ বাবদ তিন হাজার টাকা করে মোট ছয় হাজার টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি সেই টাকা দেননি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মামুন বলেন, তিনি আড়াই হাজার টাকা লোড-আনলোড বিল হিসেবে নিয়েছিলেন এবং সেই টাকা ফেরত দিয়ে দেবেন।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম জানান, ২৮ জনের মধ্যে ৬০ বান টিন বিতরণ করা হয়েছে। টিন বিতরণের জন্য কোনো টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। যদি টাকা নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসনে আরার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
উল্লেখ্য, তালা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের (পিআইও) চলমান দুর্নীতির খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে ত্রাণসামগ্রী টিন বিতরণে আরও অনেকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
