Dhakainfo24
ঢাকাশুক্রবার , ১০ এপ্রিল ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. চাকরি
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. বিনোদন
  9. রাজনীতি
  10. শিক্ষা
  11. সর্বশেষ
  12. সারাদেশ
  13. স্বাস্থ্য

টানা ৯০ দিন নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খেলে শরীরে যে পরিবর্তন আসে

ঢাকা ইনফো২৪
এপ্রিল ১০, ২০২৬ ২:০৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নির্দিষ্ট সময়ে নিয়মিত খাবার খাওয়ার অভ্যাস অনেকের ধারণার চেয়েও বেশি উপকারী হতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিন একই সময়ে খাবার গ্রহণ করলে মাত্র ৯০ দিনের মধ্যেই শরীরের স্বাভাবিক কার্যপ্রণালীতে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়।

গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের শরীর একটি প্রাকৃতিক জৈবঘড়ির মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যা ঘুম, ক্ষুধা, হজম ও শক্তি ব্যবহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগুলো নিয়ন্ত্রণ করে। খাবারের সময় প্রতিদিন পরিবর্তিত হলে শরীরকে বারবার নিজেকে মানিয়ে নিতে হয়, ফলে এই অভ্যন্তরীণ ছন্দে ব্যাঘাত ঘটে। অন্যদিকে, নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খেলে শরীর সহজে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে এবং খাবার আরও দক্ষভাবে হজম করতে পারে।

প্রথম কয়েক সপ্তাহে কী পরিবর্তন হয়

চিকিৎসকদের মতে, শুরুতেই কিছু দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যায়। নির্দিষ্ট সময়ে ক্ষুধা লাগতে শুরু করে, ফলে অপ্রয়োজনীয় খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। একই সঙ্গে রাতের বেলায় খাবারের ইচ্ছাও কমে আসে।

এ সময় শরীরের ক্ষুধা ও তৃপ্তি নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনগুলো নতুন সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে ওঠে, যা একটি স্থিতিশীল খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

এক মাস পরের প্রভাব

প্রায় এক মাস পর সারাদিনে শক্তির মাত্রা আরও স্থিতিশীল হয়ে ওঠে। রক্তে শর্করার হঠাৎ ওঠানামা কমে যায়, ফলে মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা বাড়ে।

হজম প্রক্রিয়াও উন্নত হতে শুরু করে। অনেকেই এ সময় পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি কমে যাওয়ার অভিজ্ঞতা জানান।

৯০ দিনের ফল

৯০ দিনের মধ্যে নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়া একটি অভ্যাসে পরিণত হয়। ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং বিশেষ করে রাতে অপ্রয়োজনীয় খাবারের প্রতি আকর্ষণ অনেকটাই কমে যায়।

বিশেষজ্ঞরা জানান, এতে ঘুমের মানও উন্নত হতে পারে, কারণ শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াগুলো সঠিক ছন্দে কাজ করতে শুরু করে। পাশাপাশি অতিরিক্ত শক্তি চর্বি হিসেবে জমার প্রবণতাও কমতে পারে, যা সামগ্রিক বিপাকক্রিয়া ভালো রাখতে সহায়তা করে।  

খাবারের সময় কেন গুরুত্বপূর্ণ

গবেষণা বলছে, দিনের বেলায় শরীর খাবার ভালোভাবে প্রক্রিয়াজাত করতে পারে, আর রাতের সময়টি মূলত বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের জন্য। তাই নিয়মিত সকালের নাশতা, সময়মতো দুপুরের খাবার এবং তুলনামূলক আগেভাগে রাতের খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

চিকিৎসকদের মতে, শুধু খাবারের সময় ঠিক করলেই সব সমস্যার সমাধান হয় না। তবে এটি যদি সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ঘুম ও নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমের সঙ্গে মিলিয়ে করা যায়, তাহলে তা শরীরের বিপাকক্রিয়া ও সামগ্রিক সুস্থতায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

তথ্যসূত্র: সামাটিভি অনলাইন



কুশল/সাএ

ঢাকা ইনফো২৪

ঢাকা ইনফো ২৪ একটি বহুমুখী তথ্য বাতায়ন যেখানে আপনি পাবেন ব্রেকিং নিউজ, লাইফস্টাইল গাইড এবং ক্যারিয়ার বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ সব আপডেট। আপনার প্রতিদিনের তথ্যের চাহিদা মেটাতে আমরা আছি আপনার পাশে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।