উদ্ভাবক, গবেষক, উদ্যোক্তা ও সৃজনশীল ব্যক্তিদের প্রতিভার যথাযথ স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে সরকার আধুনিক, সহজ ও কার্যকর সেবা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, অনলাইন নিবন্ধন, দ্রুত সেবা প্রদান, আইনি সুরক্ষা জোরদার এবং নকল পণ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের মতো বিভিন্ন উদ্যোগ ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আগামীকাল উদযাপিত হতে যাওয়া বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, এ দিবস দেশের দ্রুত অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, এবারের প্রতিপাদ্য ‘মেধাস্বত্ব ও ক্রীড়া: প্রস্তুত হও, শুরু করো, উদ্ভাবন করো’ সময়োপযোগী এবং তরুণদের মেধাশক্তিকে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা নতুন ধারণা, উদ্ভাবন ও সৃজনশীল কর্মপ্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করে। একই সঙ্গে ক্রীড়াপ্রযুক্তি, খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, ক্রীড়াপণ্যের ব্র্যান্ডিং, সম্প্রচার শিল্প, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং উদ্যোক্তা বিকাশে এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ তারুণ্যের শক্তিতে ভরপুর। তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি, শিল্প, গবেষণা, স্টার্টআপ ও সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা জাতীয় অগ্রগতির অন্যতম পূর্বশর্ত।
ঐতিহ্যবাহী পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও সুরক্ষার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জামদানি ও ইলিশসহ দেশীয় বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন পণ্যের মর্যাদা রক্ষা ও বৈশ্বিক বাজারে অবস্থান সুদৃঢ় করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, ক্রীড়া এখন শুধু বিনোদনের ক্ষেত্র নয়; এটি সম্ভাবনাময় পেশা, সামাজিক শক্তি এবং উদীয়মান অর্থনৈতিক খাত। জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য ভাতা ও স্পোর্টস কার্ড চালু, নতুন প্রতিভা অন্বেষণ, আধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া পরিবেশ গড়ে তোলার কাজ চলমান রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এসব উদ্যোগ ক্রীড়াভিত্তিক শিল্প, ক্রীড়াপণ্য উৎপাদন, ব্র্যান্ডিং, স্পোর্টস মিডিয়া, পর্যটন, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
