সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা থেকে ২১.৩ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯। শুক্রবার সকালে র্যাব বিশ্বম্ভরপুর থানায় মামলা দায়ের করে আটক দুজনকে জব্দকৃত গাঁজাসহ হস্তান্তর করেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের হালাবাদী আনন্দ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের হালাবাদী গ্রামের কাজি মিয়ার ছেলে জুমান মিয়া (২৮) এবং হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার সাকুচাইল গ্রামের মো. মিজান মিয়ার ছেলে আক্তার হোসেন (৩১)।
র্যাব জানায়, র্যাব-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদ পায় যে, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের আনন্দ বাজারে একটি পিকআপে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে কিছু ব্যক্তি অবস্থান করছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের আভিযানিক দলটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দাঁড়িয়ে থাকা নীল ও হলুদ রঙের সিঙ্গেল কেবিন পিকআপের চালক পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তি জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, সে ধনপুর ইউনিয়নের হালাবাদী এলাকার জুমান মিয়ার কাছে ২ বস্তা গাঁজা সরবরাহ করেছে।
পরবর্তীতে র্যাবের আভিযানিক দলটি আটককৃত চালকসহ জুমান মিয়ার বসতঘরের বারান্দায় পৌঁছালে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে জুমান মিয়া পালানোর চেষ্টা করলে তাকেও আটক করা হয়। আটককৃত জুমান মিয়া জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তার টিনশেড বসতঘরের বারান্দায় দুটি সাদা রঙের প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর মাদকদ্রব্য গাঁজা রয়েছে। পরে তার হেফাজতে থাকা দুটি সাদা রঙের প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর থেকে কালো রঙের পলিথিন দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় ২১.৩ কেজি গাঁজা এবং পিকআপসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৯, সিলেট-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের পূর্বক গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদ্বয় ও জব্দকৃত আলামত সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের জন্য র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা এবং চলমান অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কুশল/সাএ