ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শুক্রবার (৮ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের দোতলায় কনফারেন্স লাউঞ্জ (জহুর হোসেন চৌধুরী) হলে ৬ জন রেমিট্যান্সযোদ্ধাকে বঙ্গরত্ন পদকে ভূষিত করা হয়।
“রেমিট্যান্সযোদ্ধারা দেশ উন্নয়নের অগ্রদূত” শিরোনামে আলোচনা সভা এবং রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের বঙ্গরত্ন পদকে ভূষিত অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেন প্রকাশনা সংস্থা গ্রন্থকানন।
আয়োজক কবি শাহজাহান আবদালীর সভাপতিত্বে রেমিট্যান্সযোদ্ধারা দেশ উন্নয়নের অগ্রদূত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রফেসর ইমেরিটাস ড.আনিসুজ্জামান। কিন্তু বিশেষ জরুরি কাজে ব্যস্ত হয়ে যাওয়ায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রফেসর ইমেরিটাস ড. আনিসুজ্জামান উপস্থিত থাকতে পারেননি। উদ্বোধক ছিলেন জাতীয় নির্বাহী কমিটি-বিএনপির সদস্য এডভোকেট রফিক সিকদার এবং প্রধান আলোচক দৈনিক মানবকন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম।
এছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন রোকেয়া আহসান বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক অধ্যাপক সালাম খান ও এডভোকেট শাহনাজ আক্তার রানু।
বক্তব্য রাখেন শিবচর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার সাইদুল ইসলাম খান, তিনবার নির্বাচিত সিআইপি হাজী আব্দুস সোবহান। আকিজ গ্রুপের উৎপাদন ব্যবস্থাপক শাহীন খান, বিশিষ্ট সমাজ সেবক কবির হোসেন সিকদার। প্রবাসী ফাউন্ডেশনের অর্থ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সফিকুল ইসলাম, কবি ও সম্পাদক কাজী নাজিম উদ্দিন সুমন।
শাহজাহান আবদালী রচিত রেমিট্যান্সযোদ্ধারা দেশ উন্নয়নের অগ্রদূত শিরোনামের প্রবন্ধটি পাঠ করেন আবৃত্তিশিল্পী জাহানারা রেখা।
পদক প্রাপ্তরা হলেন- মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, জাপানি কামাল, শফিকুল ইসলাম, খোকন হোসেন, আব্দুল মজিদ সুজন, বাছির উদ্দিন মরণোত্তর।
অনুষ্ঠানের সভাপতি শাহজাহান আবদালী বলেন, ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন করেছেন মুক্তিযোদ্ধারা আর দেশকে আর্থিকভাবে সচ্ছলতা দিয়েছেন রেমিট্যান্সযোদ্ধারা। এ বঙ্গরত্ন পদক প্রদান ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।
প্রধান আলোচক ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও দৈনিক মানব কন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের এয়ারপোর্টে হয়রানি ও নির্যাতন যাতে না করতে পারে সেই কারণে তাদেরকে আসা-যাওয়ার জন্য ভিআইপি কৌটা দিতে হবে।