ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির ভেতরে গড়ে তোলা অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ ও ওষুধ তৈরির কারখানা সিলগালা করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ যৌন উত্তেজক ওষুধ ও ওষুধ তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পাশাপাশি কারখানার মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের চরআলগী গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে সহযোগিতা করে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের চরআলগী গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে মোখলেছুর রহমান একটি গার্মেন্টস কারখানার ভেতরে অবৈধভাবে যৌন উত্তেজক ওষুধ তৈরির কারখানা স্থাপন করেন। যদিও কারখানাটি আনুষ্ঠানিকভাবে উৎপাদন শুরু করেনি। তবুও সেখানে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও ওষুধ তৈরির বিভিন্ন উপকরণ মজুদ রাখা হয়েছিল।
অভিযান শেষে ড্রাগ অ্যাক্ট ১৯৪০ অনুযায়ী কারখানার মালিককে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে কারখানাটি সিলগালা করা হয় এবং জব্দকৃত মেয়াদোত্তীর্ণ অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ উচাখিলা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে বিনষ্ট করা হয়।
অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হাসান খান সেলিম এবং ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রতিনিধি হিসেবে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার সোহেল রানা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ও অবৈধ ওষুধ জব্দ করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।