সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করলে ধীরে ধীরে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশকে আরও ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে কাজ করে যাচ্ছে।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাস-এর জিয়া কলোনিতে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী পঁচিশ’ আয়োজিত এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সেনানিবাসে কাটানো শৈশব ও জীবনের নানা স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই এলাকার সঙ্গে তার জীবনের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। তিনি বলেন, “আমি যখন আসছিলাম, তখন মনে হচ্ছিল প্রায় ৪৫/৪৬ বছর পেছনে ফিরে গেছি। সিএমএইচের গেট, ছোট প্যাথোলজি, সিমেন্টের বেঞ্চ—সবকিছুই মনে পড়ে যাচ্ছিল।”
তিনি আরও বলেন, ছোটবেলায় জ্বর হলে একাই সিএমএইচে যেতেন এবং সে সময়ের স্টাফ সার্জন মেজর আনোয়ারের কথাও এখনও তার মনে আছে।
তারেক রহমান বলেন, বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে সাইকেল চালিয়ে সেনানিবাসের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াতেন। শহীদ মইনুল সড়ক, সিগনালের পাশের মসজিদসহ নানা স্থানের স্মৃতিও তুলে ধরেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ যে জায়গাটাকে সুন্দর ও পরিপাটি দেখা যাচ্ছে, একসময় এখানে জঙ্গলের মতো পরিবেশ ছিল। এই পুরো এলাকায় আমার ভালো-মন্দ, সুখ-দুঃখের অসংখ্য স্মৃতি ছড়িয়ে আছে।”
তিনি আরও বলেন, “ছোটবেলা থেকে এখানে বড় হয়েছি। সৈনিকদের ব্যারাকে ঘুরেছি, তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাই এখানে এলে আলাদা এক অনুভূতি কাজ করে।”
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সেনা সদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সেনা মেসে অবস্থানরত সৈনিকদের জীবনযাপন ও সার্বিক খোঁজখবর নেন।
এ সময় তিনি সেনা মেস চত্বরে একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। পরে জোহরের নামাজ আদায় শেষে সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গেও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।