জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ ইনছের আলী নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও জানা গেছে।
ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ জুন বুধবার দুপুরে ঝাপড়াপুকুর ঈদগাহ মাঠের পাশে ছাগলকে ঘাস খাওয়াচ্ছিল ওই প্রতিবন্ধী কিশোরী। এ সময় পাশের আইলে ঘাস কাটছিল একই গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ ইনছের আলী (৫৫)। দুপুরবেলায় এলাকাটি নির্জন থাকার সুযোগ নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রতিবন্ধী কিশোরীকে জাপটে ধরে জঙ্গলের মধ্যে নিয়ে অনৈতিক কর্ম ঘটায় বলে অভিযোগ ওঠে।
এ সময় অদূরে অবস্থান করা মেয়েটির মামা কাসেম আলী দৌড়ে এসে অনৈতিক কর্মরত অবস্থায় হাতে থাকা চিকন লাঠি দিয়ে আঘাত করতে থাকলে অভিযুক্ত ইনছের আলী ক্ষমা চেয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে মেয়েটির মামা কাসেম আলী ও ভিকটিম কিশোরী ঘটনাটি পরিবার ও গ্রামবাসীকে জানালে গ্রামবাসী বিষয়টি সুরাহা করতে ব্যর্থ হয়। এদিকে কিশোরীর শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় তার নানী ভিকটিমকে বৃহস্পতিবার জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
ভিকটিমের বাবা বলেন, “স্থানীয় লম্পট ইনছের আলী আমার অসহায় প্রতিবন্ধী মেয়ের সর্বনাশ করেছে। আমি এর বিচার চাই।”
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আবুল কাশেম বলেন, “আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে অভিযুক্ত ইনছের আলী ভুল স্বীকার করে আমার পা ধরে ক্ষমা চেয়েছে।”
অন্যদিকে অভিযুক্ত ইনছের আলী তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি মিথ্যা ও বানোয়াট বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
জানা গেছে, ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য স্থানীয় একটি মহল জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ মুক্তারুল আলম বলেন, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত ইনছের আলীকে গ্রেফতার করতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে বলেও জানান ওসি।
রোহান/সা.এ.