মাত্র ২৪ দিন আগে বিয়ে হয়েছিল স্বপ্না আক্তার (২১) নামে তরুণীর। এখনো তার দুই হাত মেহেদীর রং দিয়ে সাজানো রয়েছে। তবে মেহেদীর সেই রং মুছে যাওয়ার আগেই গলায় ফাঁস নিজেকে শেষ করে দিয়েছেন স্বপ্না। তিনি নিজ স্বামীর বাড়ির ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে আত্মহত্যা করেন বলে দাবি করা হয়।
ঘটনাটি ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের বাঁশাগারী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত নববধূ স্বপ্না আক্তার পার্শ্ববর্তী সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ঠেঙ্গামারি গ্রামের হান্নান মোল্যার মেয়ে।
নিহতের স্বামীর বাড়ির পরিবার জানান, মাত্র ২৪ দিন আগে নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের বাঁশাগারী গ্রামের শওকত মাতুব্বরের ছেলে খায়ের মাতুব্বরের (২৫) সঙ্গে তার বিয়ে হয়। শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো একসময় স্বপ্না গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। শনিবার সকালে খবর পেয়ে নগরকান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বামীর বাড়ির ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে। তবে কি কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, তা সঠিকভাবে জানাতে পারেনি কেউ।
তবে স্বপ্নার মা হালিমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়েকে ওরা হত্যা করেছে। গতকাল রাতে মেয়ের জামাইয়ের মোবাইলে অনেকবার কল করলেও ফোন রিসিভ করে নাই। আজ সকালে খবর পাই আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমার মেয়েকে ওরা মেরে ফেলেছে।
এ বিষয় বক্তব্য নেওয়ার জন্য নিহতের স্বামী খায়ের মাতুব্বরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ বলেন,খবর পেয়ে তার স্বামীর বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
