ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া পৌর সভাধীন নাড়া বিলের খালটি এখন ময়লার বাগাড়ে পরিণত হয়েছে।
এ খালটি উৎপত্তিস্থল নাড়া বিল থেকে শুরু করে আখালিয়া নদ পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য। এ খালের পাড় ঘেষে গড়ে ওঠেছে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ১টি মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও ১টি ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসা এই দু’টো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শত শত শিক্ষার্থীরাও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রতিদিন যাতায়াত করে থাকে।তৎকালীন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ফসলী জমিতে সেচ দেওয়ার সুবিধার্থে খালটি পুনঃ খনন করেছিলেন।
খালটি পুনঃ খননের সুবাদে সারা বছরই পানির স্রোত বয়ে যেত যার ফলে প্রায় ৫ শত একর জমিতে সেচ দিতে কোন অসুবিধা হতো না। কালের আবর্তে খালটি অযত্ন আর অবহেলায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। খালের পাড় গেসে ঘনবসতিপূর্ণ নিম্ন আয়ের মানুষের বসবাস থাকায় বসতবাড়ির ময়লা আবর্জনা খালে ফেলায় এক অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের তৈরি হয়েছে এছাড়া খালের পার ঘেঁষে গড়ে ওঠা কিছু মুরগির খামারের বিষ্ঠা, বসতবাড়ির ময়লা আবর্জনা টয়লেটের পাইপের লাইন সরাসরি খালের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।খালের পার গেসে একটি রাস্তা ফুলবাড়িয়া টু ময়মনসিংহ সড়ক থেকে সরাসরি ফুলবাড়িয়া টু মুক্তাগাছা সড়ক পর্যন্ত চলে গেছে ওই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ নাকে কাপড় বেঁধে যাতায়াত করে থাকে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের অভিযোগ নানা রোগ বালাইয়ের জীবানু ও ভেক্টেরিয়া বাতাসে ছড়িয়ে পড়েছে সারা এলাকায়।
দুর্গন্ধ এতটাই ছড়িয়েছে যে খালপাড়ের মানুষ বসবাস করতে অস্বস্তি বোধ করছে এ যেন এক নরক রাজ্য বিরাজ করছে। পৌর সদরে খালটির অবস্থান হলেও দেখভালের জন্য যেন কেউ নেই। স্থানীয় বাসিন্দা আবু বকর ছিদ্দিক (বাক্কা) অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য সরকারের কাছে খালটি পুনঃ খননের দাবি করেন।পৌর প্রশাসক শেখ তাকি তাজওয়ার বলেন খালটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে দেখবেন।
