মঙ্গলবার , ২৫ আগস্ট ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলা
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. দেশজুড়ে
  9. প্রবাস
  10. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

শান্তিময় বিশ্ব গড়তে মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই

মোহাম্মদ মাহবুব হোসাইন । ঢাকা ইনফো।
আগস্ট ২৫, ২০২৬ ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মানবসভ্যতা আজ বিজ্ঞানের বিস্ময়কর অগ্রগতি ও প্রযুক্তির অভূতপূর্ব সাফল্যের যুগ অতিক্রম করছে। পৃথিবী যেন মানুষের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। মুহূর্তের মধ্যে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে খবর পৌঁছে যাচ্ছে, মানুষ মহাকাশ জয় করছে, সমুদ্রের গভীরে অনুসন্ধান চালাচ্ছে, চিকিৎসাবিজ্ঞান কঠিন কঠিন রোগের চিকিৎসা আবিষ্কার করছে। কিন্তু এতসব উন্নতি ও সাফল্যের পরও মানুষের অন্তরে শান্তি নেই, সমাজে নিরাপত্তা নেই এবং বিশ্বে স্থিতিশীলতা নেই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, হানাহানি, দারিদ্র্য, শোষণ, বৈষম্য, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ও নৈতিক অবক্ষয় মানবতাকে বারবার প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করাচ্ছে। মানুষ বস্তুগত উন্নতি অর্জন করলেও মানবিকতা ও নৈতিকতার জায়গায় অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছে। এমন এক সংকটময় সময়ে শান্তি, মানবতা, ন্যায় ও কল্যাণের জন্য মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শের দিকে ফিরে তাকানো অত্যন্ত জরুরি।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) শুধু মুসলমানদের ধর্মীয় নেতা নন; তিনি সমগ্র মানবজাতির জন্য মহান আদর্শ। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা তাঁকে সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তাঁর ৬৩ বছরের জীবনে মানুষের জন্য যে শিক্ষা ও আদর্শ রেখে গেছেন, তা কেবল একটি নির্দিষ্ট সময় বা ভূখণ্ডের জন্য নয়; বরং সব যুগের মানুষের জন্য প্রাসঙ্গিক। তাঁর জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে সত্য, ন্যায়, দয়া, ক্ষমা, সহনশীলতা, মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও শান্তির অপূর্ব সমন্বয় লক্ষ করা যায়।

মহানবী (সা.) এমন এক সময়ে আরব সমাজে আবির্ভূত হয়েছিলেন, যখন সেখানে সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয় চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল। গোত্রীয় অহংকার, প্রতিহিংসা, মদ্যপান, জুয়া, সুদ, নারী নির্যাতন, দুর্বলদের ওপর অত্যাচার এবং অমানবিক নানা প্রথা সমাজকে গ্রাস করেছিল। শক্তিশালী ব্যক্তি দুর্বলকে শোষণ করত এবং সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে বছরের পর বছর যুদ্ধ চলত। কন্যাশিশুকে জীবন্ত কবর দেওয়ার মতো নির্মম প্রথাও প্রচলিত ছিল। এমন একটি সমাজকে মহানবী (সা.) ধীরে ধীরে পরিবর্তন করে ন্যায়, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার ভিত্তিতে গড়ে তুলেছিলেন। তাঁর সবচেয়ে বড় কৃতিত্বগুলোর একটি হলো—তিনি মানুষের বাহ্যিক পরিবর্তনের পাশাপাশি মানুষের অন্তর ও চরিত্রের পরিবর্তন ঘটিয়েছিলেন।

মহানবী (সা.)-এর জীবন ছিল সত্য ও ন্যায়ের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। নবুয়তের আগেই মক্কার মানুষ তাঁকে ‘আল-আমিন’ বা বিশ্বস্ত হিসেবে জানত। তাঁর কাছে মানুষ সম্পদ ও আমানত নিরাপদে রাখত। শত্রুরাও তাঁর সত্যবাদিতা ও বিশ্বস্ততার প্রতি আস্থা রাখত। বর্তমান বিশ্বে শান্তির অন্যতম বড় বাধা হলো বিশ্বাসের সংকট। ব্যক্তি ব্যক্তি, সমাজ সমাজ এবং রাষ্ট্র রাষ্ট্রের মধ্যে অবিশ্বাস ও সন্দেহ ক্রমেই বেড়ে চলেছে। অথচ সত্যবাদিতা, আমানতদারি ও ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠিত হলে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা তৈরি হয় এবং সংঘাতের বড় একটি কারণ দূর হয়ে যায়।

মহানবী (সা.) ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর শিক্ষা ছিল—কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা জাতির প্রতি বিদ্বেষ যেন ন্যায়বিচার থেকে মানুষকে বিচ্যুত না করে। তিনি এমন সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যেখানে ধনী-গরিব, শক্তিশালী-দুর্বল এবং অভিজাত-সাধারণ—সবার জন্য ন্যায়বিচারের মানদণ্ড ছিল অভিন্ন। আজকের পৃথিবীতে অনেক সংঘাতের মূলেই রয়েছে বৈষম্য ও অবিচার। কোথাও অর্থনৈতিক বৈষম্য, কোথাও রাজনৈতিক নিপীড়ন, কোথাও জাতিগত বৈষম্য, আবার কোথাও ধর্মীয় বিদ্বেষ মানুষের জীবনকে বিপন্ন করে তুলছে। তাই ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.)-এর আদর্শ আজও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মহানবী (সা.)-এর চরিত্রের সবচেয়ে উজ্জ্বল দিকগুলোর একটি ছিল তাঁর ক্ষমাশীলতা। যারা তাঁকে অপমান করেছে, নির্যাতন করেছে এবং তাঁর অনুসারীদের ওপর অকথ্য অত্যাচার চালিয়েছে, সুযোগ পাওয়ার পরও তিনি তাদের সবার ওপর প্রতিশোধ নেননি। মক্কা বিজয়ের ঘটনা মানব ইতিহাসে ক্ষমা ও মহানুভবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। দীর্ঘদিনের নির্যাতন ও নিপীড়নের পর যখন তিনি বিজয়ী হয়ে মক্কায় প্রবেশ করেন, তখন প্রতিশোধ নেওয়ার পরিবর্তে সাধারণ ক্ষমার ঘোষণা দেন। এটি ছিল মানবতার ইতিহাসে এক অসাধারণ শিক্ষা। তিনি দেখিয়েছেন, প্রকৃত বিজয় শুধু প্রতিপক্ষকে পরাজিত করার মধ্যে নয়; বরং তার হৃদয় জয় করার মধ্যেই প্রকৃত বিজয় নিহিত।

আজকের পৃথিবীতে প্রতিহিংসা ও ঘৃণার রাজনীতি বহু সংকটের জন্ম দিচ্ছে। একটি সংঘাত আরেকটি সংঘাত সৃষ্টি করছে, একটি প্রতিশোধের জবাবে আরেকটি প্রতিশোধ আসছে। এভাবে সহিংসতার চক্র দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। মহানবী (সা.)-এর ক্ষমাশীলতার শিক্ষা আমাদের এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসার পথ দেখায়। ক্ষমা দুর্বলতার লক্ষণ নয়; বরং অনেক সময় ক্ষমাই মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি। তবে ক্ষমা মানে অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া নয়; বরং ন্যায় প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি প্রতিহিংসার আগুনকে নিভিয়ে মানবিকতার পথ বেছে নেওয়া।

মহানবী (সা.) মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও দয়ার শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি এতিম, দরিদ্র, অসহায়, প্রতিবেশী ও সমাজের দুর্বল মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর শিক্ষা ছিল, মানুষের প্রতি দয়া না করলে আল্লাহর রহমতও লাভ করা যায় না। তিনি প্রতিবেশীর অধিকারকে এত গুরুত্ব দিয়েছেন যে, তাঁর সাহাবিরা মনে করতেন প্রতিবেশী হয়তো সম্পদের উত্তরাধিকারী করে দেওয়া হবে। এই শিক্ষা শুধু ধর্মীয় বিধান নয়; বরং একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ নির্মাণের শক্তিশালী ভিত্তি।

একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ার জন্য ধর্মীয় সহনশীলতা ও পারস্পরিক সম্মানও অপরিহার্য। মহানবী (সা.) মদিনায় বিভিন্ন ধর্ম, গোত্র ও সম্প্রদায়ের মানুষকে নিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মদিনার সনদে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অধিকার ও দায়িত্বের বিষয়গুলো স্বীকৃতি পেয়েছিল। তিনি দেখিয়েছেন, ভিন্ন ধর্ম বা মতের মানুষের সঙ্গে ন্যায় ও সৌহার্দ্যের ভিত্তিতে সহাবস্থান করা সম্ভব। বর্তমান পৃথিবীতে ধর্মীয় বিদ্বেষ ও সাম্প্রদায়িক সংঘাত যখন নানা অঞ্চলে মানুষের জীবনকে বিপন্ন করছে, তখন তাঁর এই আদর্শ বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক।

মহানবী (সা.) যুদ্ধকেও কখনো উদ্দেশ্য হিসেবে গ্রহণ করেননি। তাঁর জীবন থেকে দেখা যায়, সংঘাত এড়ানো এবং শান্তির সুযোগ সৃষ্টি করাই ছিল তাঁর নীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যখন যুদ্ধ অনিবার্য হয়েছে, তখনও তিনি নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও নিরপরাধ মানুষের নিরাপত্তার ব্যাপারে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন এবং অমানবিক আচরণ থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। যুদ্ধের মধ্যেও মানবিকতা রক্ষার এই শিক্ষা আজকের বিশ্বে অত্যন্ত মূল্যবান। আধুনিক যুদ্ধের ভয়াবহতায় যখন সাধারণ মানুষ, শিশু ও নিরপরাধ জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন মহানবী (সা.)-এর মানবিক যুদ্ধনীতির গুরুত্ব নতুন করে উপলব্ধি করা প্রয়োজন।

মহানবী (সা.)-এর বিদায় হজের ভাষণ মানবাধিকারের ইতিহাসেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি মানুষের জীবন, সম্পদ ও সম্মানের নিরাপত্তার কথা বলেছেন। সুদ, রক্তপাত, জুলুম ও অন্যায়কে প্রত্যাখ্যান করেছেন। মানুষের মর্যাদা ও পারস্পরিক অধিকার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন। জাতি, বর্ণ, ভাষা কিংবা গোত্রের অহংকারের পরিবর্তে মানুষের নৈতিক ও আত্মিক মর্যাদাকে গুরুত্ব দিয়েছেন। আজকের পৃথিবীতে জাতিগত বিদ্বেষ, বর্ণবাদ ও বৈষম্য যখন এখনো মানুষের জন্য বড় সমস্যা, তখন তাঁর এই শিক্ষা মানবতার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

শান্তি শুধু যুদ্ধ না থাকার নাম নয়। শান্তি হলো মানুষের মনে নিরাপত্তা থাকা, পরিবারে ভালোবাসা থাকা, সমাজে ন্যায়বিচার থাকা এবং রাষ্ট্রে মানুষের অধিকার নিশ্চিত হওয়া। মহানবী (সা.)-এর আদর্শের বিশেষত্ব এখানেই যে, তিনি শান্তিকে কেবল রাজনৈতিক বা সামরিক বিষয় হিসেবে দেখেননি; বরং মানুষের চরিত্র ও দৈনন্দিন জীবন থেকে শান্তির ভিত্তি নির্মাণ করেছেন। সত্যবাদী মানুষ অন্যকে ঠকায় না, আমানতদার মানুষ বিশ্বাস ভঙ্গ করে না, দয়ালু মানুষ দুর্বলকে নির্যাতন করে না, ন্যায়পরায়ণ মানুষ অন্যের অধিকার কেড়ে নেয় না এবং ক্ষমাশীল মানুষ প্রতিহিংসার আগুন জ্বালিয়ে রাখে না। ফলে একজন মানুষের চরিত্রের পরিবর্তন থেকেই বৃহত্তর সমাজে শান্তির সূচনা হতে পারে।

আজ আমরা সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে নানা আয়োজন করি, আলোচনা সভা করি, তাঁর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করি। এসব আয়োজন অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু মহানবী (সা.)-এর প্রতি প্রকৃত ভালোবাসার দাবি হলো তাঁর আদর্শকে নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করা। আমরা যদি তাঁর সত্যবাদিতাকে ধারণ করি, মানুষের প্রতি দয়া প্রদর্শন করি, অন্যের অধিকার রক্ষা করি, অন্যায় থেকে বিরত থাকি, ক্ষমাশীল হই এবং ভিন্নমতের মানুষের প্রতি সম্মান দেখাই, তাহলে আমাদের পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তির পরিবেশ তৈরি হবে।

বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কেবল রাজনৈতিক চুক্তি কিংবা আন্তর্জাতিক সম্মেলন যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন মানুষের চিন্তা ও চরিত্রের পরিবর্তন। প্রয়োজন এমন এক নৈতিক নেতৃত্ব, যা মানুষকে ক্ষমতার অহংকার থেকে বের করে দায়িত্ববোধের দিকে নিয়ে যাবে। প্রয়োজন এমন এক মানবিক সমাজ, যেখানে দুর্বল মানুষ নিরাপদ থাকবে, ক্ষুধার্ত মানুষ খাবার পাবে, নিপীড়িত মানুষ ন্যায়বিচার পাবে এবং ভিন্নমতের মানুষ সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকতে পারবে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন আমাদের এমন একটি সমাজের বাস্তব রূপরেখা উপহার দিয়েছে।

সিরাতুন্নবী (সা.) তাই শুধু অতীত স্মরণের উপলক্ষ নয়; এটি আত্মশুদ্ধি, সমাজ সংস্কার এবং মানবতার কল্যাণে নতুন করে অঙ্গীকার করার সময়। মহানবী (সা.)-এর আদর্শকে ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে যত বেশি বাস্তবায়ন করা যাবে, সমাজ তত বেশি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক হবে। তাঁর শিক্ষা অনুসরণ করে আমরা যদি ঘৃণার পরিবর্তে ভালোবাসা, হিংসার পরিবর্তে ক্ষমা, অন্যায়ের পরিবর্তে ন্যায় এবং বিভেদের পরিবর্তে ভ্রাতৃত্বকে বেছে নিতে পারি, তবে একটি শান্তিময় পৃথিবী গড়ে তোলা অসম্ভব নয়।

আজকের অশান্ত ও বিভক্ত পৃথিবীর জন্য মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন তাই এক চিরন্তন আলোকবর্তিকা। তাঁর আদর্শ ব্যক্তি থেকে পরিবারে, পরিবার থেকে সমাজে এবং সমাজ থেকে রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হলে মানবতার জন্য শান্তির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। পৃথিবী যত আধুনিকই হোক, মানুষের নৈতিক ও মানবিক প্রয়োজন কখনো পুরোনো হয় না। আর সেই মানবিক প্রয়োজন পূরণে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ চিরকাল প্রাসঙ্গিক। তাই সত্যিকার অর্থে একটি শান্তিময়, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বিশ্ব গড়তে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই।

লেখক: মোহাম্মদ মাহবুব হোসাইন

ফ্রান্স থেকে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী।

mahbubhossain786@yahoo.com

মোহাম্মদ মাহবুব হোসাইন । ঢাকা ইনফো।

মোহাম্মদ মাহবুব হোসাইন একজন ফ্রান্স প্রবাসী সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী ও সমাজ বিশ্লেষক। তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার, প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবনযাত্রা, সামাজিক উন্নয়ন, সমসাময়িক রাজনীতি এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সংবাদ ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

📰 ঢাকা ইনফো২৪

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর, প্রবাসীদের তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

আরও পড়ুন
`);w.document.close();setTimeout(function () { w.focus(); w.print(); }, 500);});});