দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানের চলমান যুদ্ধ বন্ধ কীভাবে বন্ধ করা যায় এ নিয়ে আজ পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসর।
রোববার (২৯ মার্চ) এই আলোচনায় দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বসবেন।
মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিধর দেশগুলো এমন সময় আলোচনা করতে যাচ্ছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সম্ভাব্য স্থল হামলা চালাতে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মেরিন সেনাকে নিয়ে এসেছে।
এরআগে গতকাল ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর শুরু হওয়া যদ্ধের পর ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। যা বৈশ্বিক তেল সরবরাহে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।
আঞ্চলিক দেশগুলো যখন কূটনৈতিকভাবে অগ্রসর হচ্ছে তখনও ইরানে হামলা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। অপরদিকে পাল্টা হামলা হিসেবে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর মার্কিন অবকাঠামো টার্গেট করে যাচ্ছে ইরান।
দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এ যুদ্ধ আরও জটিল হচ্ছে। গতকাল যুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা।
এতে করে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে আরও বিঘ্ন ঘটার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। হুতিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে লোহিত সাগর ও বাব এল-মানদেব প্রণালি। হুতিরা যদি এই প্রণালি বন্ধ করে দেয় তাহলে জ্বালানির দাম আরও বাড়বে। কারণ এ্ই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের ১২ শতাংশ তেল সরবরাহ হয়।
সূত্র: এপি।
