সোমবার , ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলা
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. দেশজুড়ে
  9. প্রবাস
  10. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

দক্ষিণ আইচায় ছাগলে গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৩


সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ১১:২৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচায় ছাগলে গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে তিনজন আহত হয়েছেন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চর মানিকা ইউনিয়নের উত্তর চর মানিকা ১ নম্বর ওয়ার্ডের মোল্লার দোকান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে ছাগলে গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কালাম বেপারীর পক্ষের লোকজন আবু তাহের মাঝির ছেলে মিজান (২৮), নুরে আলম (২৫) ও পুত্রবধূ রেসমা বেগমকে (২৩) দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে গুরুতর অবস্থায় চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহত মিজান বলেন, “কালাম বেপারীর ছাগল আমাদের একটি গাছ খাচ্ছিল। এ সময় আমার ছোট বাচ্চা ছাগলটিকে তাড়িয়ে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কালাম বেপারী নিজে ও তাঁর লোকজন আমাদের ওপর চড়াও হন। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাঁরা দা, বটি, লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমাদের তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেন।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা গরিব-অসহায় মানুষ। বেড়িবাঁধের পাশে বসবাস করি। কালাম বেপারী আমাদের সরকারি খাস পুকুর ব্যবহার করতে দিচ্ছেন না। তাঁর অত্যাচারে আমরা গ্রামবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি।”

এ বিষয়ে দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান কবির বলেন, “এ ঘটনায় আহতদের পক্ষ থেকে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের প্রস্তুতি চলছে।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

📰 ঢাকা ইনফো২৪

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর, প্রবাসীদের তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

আরও পড়ুন
`);w.document.close();setTimeout(function () { w.focus(); w.print(); }, 500);});});