বুধবার , ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলা
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. দেশজুড়ে
  9. প্রবাস
  10. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিএনপি সরকার প্রতিশ্রুতি থেকে দূরে সরে গেছে : হিউম্যান রাইটস ওয়াচ


সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৪:২৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সেপ্টেম্বরে পাস হওয়া তিনটি আইন মানবাধিকার সুরক্ষা দুর্বল করেছে এবং সংস্কারের প্রতিশ্রুতি থেকে সরকার পিছিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, নতুন আইনগুলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেওয়া কিছু সংস্কারমূলক উদ্যোগকে উল্টে দিয়েছে। এর ফলে অতীতে সংঘটিত গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে এইচআরডব্লিউ।

এইচআরডব্লিউর তথ্যমতে, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্বে থাকা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের (এনএইচআরসি) ক্ষমতা ও স্বাধীনতা বাড়ানো এবং গুম প্রতিরোধ ও তদন্তে দুটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। তবে চলতি বছরের নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার নতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে কমিশনের স্বাধীনতা ও তদন্তের ক্ষমতা সীমিত করেছে বলে অভিযোগ করেছে সংস্থাটি।

এইচআরডব্লিউর এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ইলেইন পিয়ারসন বলেন, অতীতের গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে বাংলাদেশের প্রকৃত নিরাপত্তা খাত সংস্কার এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে সক্ষম একটি স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন প্রয়োজন। নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর নজরদারি ও জবাবদিহিতা সীমিত করার উদ্যোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

সংস্থাটি আরও জানায়, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, নির্বিচারে রাজনৈতিক বিরোধীদের আটক এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে বর্তমান সরকারের সময় হত্যাকাণ্ড ও গুমের ঘটনা কমেছে বলে উল্লেখ করলেও শত শত রাজনৈতিক বিরোধীকে নির্বিচারে আটক রাখার অভিযোগ করেছে এইচআরডব্লিউ।

এইচআরডব্লিউর বিবৃতি অনুযায়ী, গত ৬ সেপ্টেম্বর বিরোধী আইনপ্রণেতাদের ওয়াকআউটের মধ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন-সংক্রান্ত নতুন আইনটি পাস হয়। এতে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ সরাসরি তদন্তের ক্ষমতা কমিশনকে দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে প্রতিবেদন চাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

একই দিনে সংসদে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’ পাস হয়। এই আইনে গুমের অভিযোগ তদন্তের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধ্যাদেশে থাকা কিছু ক্ষমতা বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এইচআরডব্লিউ। এর মধ্যে আটককেন্দ্র পরিদর্শন ও গোপন আটকস্থল শনাক্তের মতো ক্ষমতাও রয়েছে। পাশাপাশি গুমের ঘটনায় কমান্ড দায় নির্ধারণের আইনগত মানদণ্ডেও পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

এ ছাড়া ১০ সেপ্টেম্বর সংসদে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন আইন’ পাস হয়। এর মাধ্যমে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে নতুন বাহিনী করার কথা বলা হয়েছে। তবে এইচআরডব্লিউর দাবি, নতুন আইনে র‍্যাবের জনবল, ক্ষমতা, সম্পদ ও নথিপত্র নতুন বাহিনীতে স্থানান্তর করা হয়েছে। এ কারণে এটিকে মূলত নাম পরিবর্তন হিসেবে দেখছে সংস্থাটি।

এইচআরডব্লিউ আরও বলেছে, এসআরবির আইনে মানবাধিকার সুরক্ষায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তাবিধান, প্রশিক্ষণ, স্বাধীন তদারকি ও জবাবদিহিতার ব্যবস্থা নেই। সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্রকে এসআরবির ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্যসহ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অংশীদারদের নতুন সরকারের মানবাধিকার নীতি নিয়ে উদ্বেগ জানানোর আহ্বান জানিয়েছে।

ইলেইন পিয়ারসন বলেন, ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের পর সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু নতুন সরকারের নেওয়া কিছু পদক্ষেপকে তিনি উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং অতীতের অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

📰 ঢাকা ইনফো২৪

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর, প্রবাসীদের তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

আরও পড়ুন
`);w.document.close();setTimeout(function () { w.focus(); w.print(); }, 500);});});