কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জেলি মেশানো চিংড়ি মাছ বিক্রির দায়ে তিন ব্যবসায়ীকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অভিযানে ৭০ কেজি জেলি মেশানো চিংড়ি উদ্ধার করে মাটি চাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার পলতাকান্দা এলাকার নৈশকালীন মৎস্য আড়তে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিমুল হকের নেতৃত্বে অভিযানটি চালানো হয়।
অভিযানে ডলফিন মৎস্য আড়ত থেকে ২৫ কেজি জেলি মেশানো চিংড়ি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আড়তের মালিক ফরহাদ মিয়াকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এ ছাড়া অন্তর ফিস এন্টারপ্রাইজ থেকে ৩৫ কেজি জেলি মেশানো চিংড়ি উদ্ধার করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির মালিক অন্তর বর্মণকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
বিসমিল্লাহ মৎস্য আড়ত থেকে আরও ১০ কেজি জেলি মেশানো চিংড়ি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আড়তের মালিক সেলিম মিয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. সারোয়ার হোসেন এবং ভৈরব নৌ পুলিশের উপপরিদর্শক মো. রহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিমুল হক বলেন, তিনটি মৎস্য আড়তে অভিযান চালিয়ে মোট ৭০ কেজি জেলি মেশানো চিংড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। এসব মাছ বিক্রির দায়ে তিন ব্যবসায়ীকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জব্দ করা মাছ মাটি চাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।