শুক্রবার , ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলা
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. দেশজুড়ে
  9. প্রবাস
  10. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কৃষিতে আধুনিকতার ছোঁয়া, মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষ


সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬ ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সিরাজগঞ্জে আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। মালচিং পদ্ধতিতে শসা, বেগুনসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করে সুফল পাচ্ছেন জেলার অনেক কৃষক। কম সময়ে ফলন, আগাছা নিয়ন্ত্রণ, মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখা এবং সবজির গুণগত মান ভালো হওয়ায় এ পদ্ধতি কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তিতে চাষাবাদে উৎসাহিত করতে স্থানীয় কৃষি বিভাগ নিয়মিত পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে। জেলার নয়টি উপজেলাতেই কমবেশি শসার আবাদ হচ্ছে। বিশেষ করে মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদে পরিচর্যার কাজ তুলনামূলক সহজ হওয়ায় কৃষকেরা এ পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছেন।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর সিরাজগঞ্জে ২ হাজার ৭২৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ১৩০ হেক্টর জমিতে শসার আবাদ করা হয়েছে। আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে ৬০ শতাংশ জমিতে প্রদর্শনী হিসেবে মালচিং পদ্ধতিতে শসা চাষ করা হয়েছে।

কৃষি বিভাগ বলছে, মালচিং পদ্ধতিতে প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ মণ পর্যন্ত শসা উৎপাদন হচ্ছে। ফলে প্রচলিত পদ্ধতির পাশাপাশি আধুনিক এ প্রযুক্তিতে চাষাবাদে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকেরা।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণত শসা চাষের ৩০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যেই ফলন পাওয়া শুরু হয়। অল্প সময়ে জমি থেকে আয় করার সুযোগ থাকায় অনেক কৃষক শসা চাষে আগ্রহী হয়েছেন। মালচিং পদ্ধতিতে জমিতে আগাছার বিস্তার কম হয়। পাশাপাশি মাটির আর্দ্রতা দীর্ঘ সময় ধরে রাখা যায়। এতে সেচ ও পরিচর্যার চাপও কিছুটা কমে। শসা মাটির সরাসরি সংস্পর্শে না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে এর গুণগত মানও ভালো থাকে।

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষক জসীম উদ্দিন বলেন, মালচিং পদ্ধতিতে শসা চাষ করে এবার তিনি ভালো ফলন পেয়েছেন। গাছ দ্রুত বেড়েছে এবং একসঙ্গে অনেক শসা ধরেছে। বাজারে বিক্রি করেও ভালো দাম পেয়েছেন।

উল্লাপাড়ার কৃষক ফজলুল হক বলেন, মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন ও শসা চাষে ফলন ভালো হয়েছে। একই সঙ্গে পরিচর্যার কিছু খরচও কমেছে। শুরুর দিকে বেগুন ও শসা ভালো দামে বিক্রি হলেও পরে বাজারে শসার সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমে যায়।

তিনি বলেন, বর্তমানে প্রতি মণ শসা ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ দামে উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে প্রত্যাশিত লাভ থাকছে না। উৎপাদিত সবজির ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে আরও বেশি কৃষক মালচিং পদ্ধতিতে শসা চাষে আগ্রহী হবেন।

উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমী বলেন, মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন ও শসার ফলন এবং গুণগত মান ভালো হওয়ায় এ প্রযুক্তির প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। উৎপাদিত সবজির ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে সিরাজগঞ্জে আধুনিক এ পদ্ধতির চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে। এতে কৃষকের আয়ও বাড়বে। এ বিষয়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ কে এম মঞ্জুরে মাওলা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকের উৎপাদন বাড়াতে মাঠপর্যায়ে কাজ করছে কৃষি বিভাগ। মালচিং পদ্ধতিতে শসা চাষে ভালো ফলন পাওয়া যাচ্ছে। কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি প্রদর্শনীর মাধ্যমে এ পদ্ধতি আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

📰 ঢাকা ইনফো২৪

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর, প্রবাসীদের তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

আরও পড়ুন
`);w.document.close();setTimeout(function () { w.focus(); w.print(); }, 500);});});