বুধবার , ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলা
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. দেশজুড়ে
  9. প্রবাস
  10. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিরাজগঞ্জে বাড়ছে বাল্যবিবাহের প্রবণতা


সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সিরাজগঞ্জের যমুনার চরসহ বিভিন্ন এলাকায় বাল্যবিবাহের প্রবণতা বেড়েই চলেছে। বাল্য বিবাহের কুফল সম্পর্কে প্রচারনা সত্বেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

পরিবারের চাপ, অসচেতনতা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে গড়ে ওঠা সম্পর্কের কারণে অনেক কিশোর-কিশোরীর বিয়ের আয়োজন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

তবে প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের তৎপরতায় চলতি বছরের প্রথম আট মাসে জেলার ১৭টি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী, ২১ বছর পূর্ণ হয়নি এমন পুরুষ এবং ১৮ বছর পূর্ণ হয়নি এমন নারীকে অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কোনো এক পক্ষ বা উভয় পক্ষ অপ্রাপ্তবয়স্ক হলে সেটি বাল্যবিবাহ হিসেবে গণ্য হয়।

তবে বাল্যবিবাহ শাস্তিযোগ্য অপরাধ হওয়ায় এ ধরনের বিয়ের প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণ করা কঠিন। জেলা পরিসংখ্যান অফিস বা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ পরিসংখ্যানও পাওয়া যায় না। ফলে অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিরোধ করা বিয়ের তথ্যই সরকারি কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে সামনে আসছে।

বাল্যবিবাহের পরিণতি যে সবসময় সুখকর হয় না, তার উদাহরণও রয়েছে। অল্প বয়সে সংসারে প্রবেশের কারণে অনেক কিশোরীকে পড়াশোনা বন্ধ করে পারিবারিক দায়িত্ব নিতে হয়। বয়স ও মানসিক পরিপক্বতার অভাবে দাম্পত্য জীবনে নানা জটিলতা তৈরি হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদের ঘটনাও ঘটে।

এমনই একটি ঘটনার কথা জানিয়েছেন বাল্যবিবাহ প্রদানকারী এক ছেলের বাবা শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা বিয়ে করাতে চাইনি। দুইজন নিজেরাই সম্পর্ক করে বিয়ে করেছে। এখন তাদের বনিবনা হচ্ছে না। তাই কোর্টের মাধ্যমে বিয়ের তালাক দিতে হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শাকিল মোহাম্মাদ শরিফুর হায়দার (রফিকুল সরকার) বলেন, অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলে পরবর্তী সময়ে নানা আইনি ও পারিবারিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কানিজ ফাতেমা বলেন, বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও নারীদের সচেতন করা হচ্ছে। কোথাও বাল্যবিবাহের আয়োজনের খবর পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সচেতনতা বাড়াতে নিয়মিত উঠান বৈঠকসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতা বাড়ানো গেলে বাল্যবিবাহের ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

📰 ঢাকা ইনফো২৪

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর, প্রবাসীদের তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

আরও পড়ুন
`);w.document.close();setTimeout(function () { w.focus(); w.print(); }, 500);});});