তবে ব্যক্তিগত সেসব বিষয় বাদ দিয়ে সবচেয়ে বেশি সামনে এসেছে প্রীতমের ব্যস্ততা, অবহেলা এবং শেহতাজের বদলে যাওয়ার প্রসঙ্গ।
প্রীতম হাসানের ঘনিষ্ঠ এক মিউজিশিয়ান কালবেলা অনলাইনকে বলেন, ‘শো নিয়ে প্রীতমের ব্যস্ততা দিন দিন বাড়ছে। এতে সংসারের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হচ্ছিল। আমরা শুনেছি শেহতাজ এসব কারণে বদলে যেতে থাকেন।’
এ ছাড়া শেহতাজের ঘনিষ্ঠ আরেকজন বলেন, ‘প্রীতমের ব্যস্ততায় শেহতাজের বদলে যাওয়ার বিষয়টি স্বাভাবিক ছিল। অভিযোগ প্রীতমের প্রতি যেমন আছে, আছে শেহতাজকে নিয়েও। এসব নিয়ে তারা কয়েক মাস ফেডআপ ছিলেন। তারপর ঝামেলার শুরু।
সেপ্টেম্বরের শুরুতে তাদের ডিভোর্স হয় বলে শুনেছি। বাকিটা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। এসব মিডিয়াতে বলতে চাই না।’
রাত ১০টা ৪২ মিনিটে দেওয়া এক পোস্টে শেহতাজ লেখেন, ‘আমরা একসঙ্গে ভাগ করে নেওয়া স্মৃতিগুলোর জন্য কৃতজ্ঞ এবং এখনো একে অপরের প্রতি যত্নশীল। তবে সময়ের সঙ্গে আমরা উপলব্ধি করেছি যে, পারস্পরিক বোঝাপড়ার অভাবে আলাদা পথ চলাই আমাদের জন্য ভালো। অনেক ভেবেচিন্তে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি। আমাদের পরিবারের সমর্থন নিয়ে আমরা এখন বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাচ্ছি।’