নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর নিয়ামতপুর জোনাল অফিসের বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রানি, আবেদন নিষ্পত্তিতে গড়িমসি ও অর্থ দাবির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। নতুন মিটারের আবেদন, বিদ্যুতের লোড বৃদ্ধি ও মিটার স্থানান্তরসহ বিভিন্ন সেবা নিতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় গ্রাহকেরা। এসব অভিযোগে অফিসটির উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মেসবাহুল হক ও ওয়ারিং ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলামের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
অন্যদিকে, কাওসার নামে এক গ্রাহক অভিযোগ করেন, নির্মাণাধীন ভবনের মিটার আবাসিক ব্যবহারের উপযোগী স্থানে স্থানান্তরের আবেদন করলে ওয়ারিং ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম তাঁর কাছে এক হাজার টাকা দাবি করেন। ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পরও সমস্যার সমাধান হয়নি বলে দাবি তাঁর। বর্তমানে আবাসিকভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেও বাণিজ্যিক হারে বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে বলে জানান কাওসার। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
গ্রাহকদের অভিযোগ, বিদ্যুৎসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা ও অর্থ দাবির অভিযোগ উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। তাঁরা এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, মিটার অনুমোদন ও আবেদন নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া যাচাই এবং হয়রানিমুক্ত গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
Scale Your Newsportal
Blazing-fast frontend, robust backend & ad monetization ready.
Scale Your Newsportal
Blazing-fast frontend, robust backend & ad monetization ready.