নতুন প্রজাতিটির নাম ‘সালভিয়া মেসি’। উদ্ভিদটির সন্ধান পান আর্জেন্টিনার কৃষিবিদ রোলান্দো উরিয়া। নাগরিক বিজ্ঞানবিষয়ক একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে উদ্ভিদটির অস্বাভাবিক কিছু ছবি দেখে তার সন্দেহ হয়।
পাশাপাশি অনুসন্ধান চালান আন্দিজের পাহাড়ি ঢালে। একপর্যায়ে সন্ধান মেলে উদ্ভিদটির। প্রায় দেড় মিটার উঁচু এই গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ আগে কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়নি।
উদ্ভিদটির বৈজ্ঞানিক বিবরণ প্রকাশ করেছে সাময়িকী। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসারে যখন কোনো ব্যক্তিত্বের সম্মানে কোনো প্রজাতির নামকরণ করা হয়, তখন বিজ্ঞানীরা একটি লাতিন ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করেন, যেখানে পদবির শেষে একটি ‘আই’ (i) যোগ করা হয়।
এর অর্থ হলো- ‘মেসির উদ্ভিদ’। এর সাদা ও হালকা নীল পাপড়ি মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনার জাতীয় পতাকার রং। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৪০০ মিটার উচ্চতার নির্দিষ্ট পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মে উদ্ভিদটি। বনাঞ্চলে আগুন ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এর সীমিত আবাসস্থল হুমকির মুখে। তাই বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিকভাবে একে বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে বিবেচনা করছেন।
এটাই অবশ্য মেসির নামে প্রথম কোনো জীবের নামকরণ নয়। এর আগে তাঁর নামে নামকরণ করা হয়েছে ‘সেরকোপেমসেস মেসি’ ছত্রাক, ‘আকান্থোগোনাটাস মেসি’ মাকড়সা, ‘লিওলায়েমুস মেসি’ গিরগিটি, প্রাগৈতিহাসিক ‘ভালচার মেসি’ শকুন এবং ‘ডিস্কনিস্কা মেসি’ ঝিনুকের মতো দেখতে প্রাগৈতিহাসিক খোলসি প্রাণী।
Scale Your Newsportal
Blazing-fast frontend, robust backend & ad monetization ready.
Scale Your Newsportal
Blazing-fast frontend, robust backend & ad monetization ready.