রবিবার , ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলা
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. দেশজুড়ে
  9. প্রবাস
  10. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

৬ কোটি গ্রাহকের ২জি ফোন বন্ধে ভোগান্তির শঙ্কা


অক্টোবর ১৮, ২০২৬ ৫:০৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। বাকি ৬০ শতাংশের হাতে রয়েছে সাধারণ বা ফিচার ফোন। সব মিলিয়ে দেশে প্রায় ছয় কোটি ফিচার ফোন ব্যবহার হচ্ছে। ফলে এসব গ্রাহককে ৪জি-সমর্থিত ফোনে স্থানান্তর করতে হলে শুধু পুরোনো প্রযুক্তি বন্ধের ঘোষণা যথেষ্ট হবে না, প্রয়োজন হবে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও আর্থিক সহায়তা।

বিটিআরসি গত ১৬ জুন সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে ২জি ব্যবহার কমানোর বিষয়ে একটি কর্মশালা করে। সেখানে ব্যবহার কমার সম্ভাব্য হার বিবেচনায় ২০২৯, ২০৩০ ও ২০৩১ সালকে কেন্দ্র করে তিনটি সময়সীমা আলোচনায় আসে। বছরে ১৫ শতাংশ হারে ব্যবহার কমলে ২০২৯ সাল, ১০ শতাংশ কমলে ২০৩০ সাল এবং ৭ দশমিক ৫ শতাংশ কমলে ২০৩১ সালে ২জি বন্ধের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব বলে কর্মশালায় আলোচনা হয়।

প্রস্তাবিত হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে সাধারণ ২জি ফোনের সর্বনিম্ন দাম ৭০০ থেকে এক হাজার টাকা। অন্যদিকে, ৪জি-সমর্থিত ফিচার ফোনের সর্বনিম্ন দাম প্রায় তিন হাজার টাকা। অর্থাৎ নতুন ফোন কিনতে একজন গ্রাহককে অতিরিক্ত প্রায় দুই হাজার টাকা ব্যয় করতে হবে। নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য এই বাড়তি খরচ বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৈশ্বিক বাজারের চাপ। আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইডিসির ২০২৬ সালের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মেমোরি চিপের সংকটে বিশ্বে মুঠোফোন সরবরাহ কমতে এবং গড় দাম বাড়তে পারে। প্রতিষ্ঠানটির হিসাবে, ২০২৬ সালে বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোনের চালান ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ কমার আশঙ্কা রয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবকাঠামোর জন্য চিপের চাহিদা বৃদ্ধি এই সংকটের অন্যতম কারণ। বাংলাদেশের বাজারে এর প্রভাব পড়লে কম দামের ফোনের সরবরাহ আরও চাপে পড়তে পারে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এরইমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে বাজারে আনা দুই থেকে আড়াই হাজার টাকার ৪জি ফিচার ফোন প্রত্যাশিত সাড়া পায়নি। পরে ছাড় দিয়েও কিছু ফোন অবিক্রীত থেকে যায়।

সংশ্লিষ্টদের প্রস্তাব, ২০২৮ সালের জুন থেকে ২জি ফোনের উৎপাদন সীমিত বা বন্ধ করার পাশাপাশি ৪জি ফিচার ফোনের উৎপাদন ও বিক্রি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এর আগে বিষয়টি নিয়ে প্রচারণা, বিশেষ মূল্যছাড়, কিস্তি এবং অপারেটরদের প্যাকেজের মাধ্যমে গ্রাহকদের নতুন ফোন ব্যবহারে উৎসাহিত করার কথা বলা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা প্রযুক্তিগত অগ্রগতির বিরোধী নই, আমরা চাই বাংলাদেশের মোবাইল বাজার সময়োপযোগী প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাক। তবে দেশের বিপুলসংখ্যক ফিচার ফোন ব্যবহারকারীর বাস্তবতা, স্বল্প আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এবং ২জি-এর তুলনায় ৪জি ফিচার ফোনের অতিরিক্ত প্রায় ২,০০০ টাকা মূল্য বিবেচনায় নিয়ে এই রূপান্তর পরিকল্পনা করতে হবে। ২জি ফোনের উৎপাদন ও আমদানি সীমিত করার আগে সাশ্রয়ী ভয়েজ এবং ডাটা প্যাকেজের মাধ্যমে ৪জি ফিচার ফোনের প্রতি গ্রাহকের আগ্রহ তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে অবৈধ পথে ২জি ফোন আমদানি ও নেটওয়ার্কে সংযুক্তি প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় বৈধ উৎপাদক ও আমদানিকারকেরা অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়বেন এবং দেশীয় হ্যান্ডসেট শিল্প ও কর্মসংস্থান হুমকির মুখে পড়বে। তাই বাজারের চাহিদা, গ্রাহকের ক্রয়ক্ষমতা এবং অবৈধ হ্যান্ডসেট প্রতিরোধের কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করেই বাস্তবসম্মত ও পর্যায়ক্রমিক রোডম্যাপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

Scale Your Newsportal

Blazing-fast frontend, robust backend & ad monetization ready.

Scale Your Newsportal

Blazing-fast frontend, robust backend & ad monetization ready.

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

📰 ঢাকা ইনফো২৪

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর, প্রবাসীদের তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

আরও পড়ুন
`);w.document.close();setTimeout(function () { w.focus(); w.print(); }, 500);});});