বলিউডের প্রভাবশালী মুখার্জি পরিবারের চতুর্থ প্রজন্মের প্রতিনিধি কাজল ও রানি সম্পর্কে সেকেন্ড কাজিন। কাজলের বাবা শমু মুখার্জি এবং রানির বাবা রাম মুখার্জি ছিলেন আপন খুড়তুতো ভাই। ১৯৯৮ সালে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ সিনেমায় অঞ্জলি ও টিনা চরিত্রে তাদের অনস্ক্রিন রসায়ন ইতিহাস তৈরি করে। কিন্তু বাস্তব জীবনে তাদের সম্পর্কটি দীর্ঘ সময় ধরে এক রহস্যময় দূরত্বের মধ্য দিয়ে গেছে।
রানি যখন বলিউডে পা রাখেন, কাজল তখন ক্যারিয়ারের মধ্যগগনে। রানি ছোটবেলা থেকেই কাজলকে কাজল দিদি বলে সম্বোধন করতেন। কিন্তু ছবির সেটে তাদের মধ্যে পেশাদারি সম্পর্কের বাইরে ব্যক্তিগত কোনো আলাপ ছিল না। পরে রানি যখন যশরাজ ফিল্মসের কর্ণধার আদিত্য চোপড়াকে বিয়ে করেন এবং কাজল যখন অজয় দেবগনের সঙ্গে সংসার শুরু করেন, তখন তাদের ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত জীবন সম্পূর্ণ আলাদা ট্র্যাকে চলে যায়।
সব সম্পর্কের মোড় ঘোরানোর জন্য জীবনের কঠিনতম সত্য পিতৃবিয়োগ অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। রানি মুখার্জি জানান, তিনি কাজলের বাবার খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। ২০০৮ সালে কাজলের বাবা শমু মুখার্জির প্রয়াণ এবং পরবর্তী সময় রানির বাবার মৃত্যু—এই পারিবারিক শোকের যৌথ অনুভূতি তাদের মানসিকভাবে কাছাকাছি নিয়ে আসে। পরিবারে যখন একের পর এক অভিভাবক হারানোর শূন্যতা তৈরি হয়, তখন দুই বোন বুঝতে পারেন যে ক্যারিয়ার, প্রতিযোগিতা বা অহমিকার চেয়ে রক্ত ও পরিবারের টান অনেক বড়।
বছরের পর বছর ধরে মুম্বাইয়ের নর্থ বোম্বে দুর্গাপূজা কমিটির মণ্ডপে কাজল, রানি এবং তানিশার উপস্থিতি ভক্তদের কাছে এক পরম প্রাপ্তি। ২০২৫ সালে পরিবারের অন্যতম সদস্য দেব মুখার্জির প্রয়াণের পর পূজার মণ্ডপে দুই বোনকে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতেও দেখা গেছে।
Scale Your Newsportal
Blazing-fast frontend, robust backend & ad monetization ready.
Scale Your Newsportal
Blazing-fast frontend, robust backend & ad monetization ready.