পাবনা শহরে নাশকতার প্রস্তুতিকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা আওয়ামী লীগের ১৫ নেতাকর্মীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।বুধবার ভোরে শহরের আব্দুল হামিদ রোডের ইন্দিরা মোড়ের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম
আটককৃতরা হলেন সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহাব (৬২), মো. রাব্বি (২৩), মো. মিঠুন মিয়া (৩০), মো. হৃদয় (২০), মো. ফয়সাল (১৮), মো. নাজমুল হাসান (১৮), আরাফাত হোসেন শুভ (১৮), মো. সাকিব (১৯), মো. নাজমুল হোসেন (১৯), মো. শিমুল প্রামানিক (১৬), মো. রঞ্জু শেখ (১৭), মো. মিজান প্রামানিক (১৮), মো. আলহাজ্ব খাঁ (২৪), মো. ওসমান খা (২৮) এবং মো. মতিউর রহমান (৩২)।
বুধবার দুপুরে পাবনা সদর থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের আব্দুল হামিদ রোডের ইন্দিরা মোড় সংলগ্ন শাহআলম মার্কেটের সামনে অভিযান চালানো হয়। এ সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কতিপয় দুষ্কৃতিকারী হাতে লাঠি-সোটা, দলীয় ফেস্টুন, ব্যানার ও দাহ্য পদার্থ নিয়ে ঝটিকা মিছিল ও নাশকতা করার উদ্দেশ্যে সমবেত হয়েছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে ১৫ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এই সংক্রান্তে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো আটক হলেন আব্দুল ওহাব। এর আগে ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সুজানগরের মথুরাপুর এলাকা থেকে তাকে প্রথমবার আটক করেছিল পুলিশ। সে সময় দলীয় নেতাকর্মীরা পুলিশের ভ্যান থেকে তাকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়, যাতে আটজন পুলিশ সদস্য আহত হন। ওই ঘটনার তিন দিন পর ৫ ফেব্রুয়ারি তাকে পুনরায় গ্রেফতার করে পুলিশ।