ঝিঙের খোসার রাজকীয় ভর্তা!

ঝিঙের খোসার রাজকীয় ভর্তা!

রান্নার পর ঝিঙের খোসা ডাস্টবিনে ফেলে দিচ্ছেন? থামুন! এই খোসা দিয়েই কিন্তু দুপুরের ধোঁয়া ওঠা গরম ভাতের সঙ্গী হিসেবে তৈরি করে ফেলা যায় অতুলনীয় স্বাদের এক চটপটা পদ। নামমাত্র খরচ আর নামমাত্র সময়ে তৈরি এই খাবারটি খেলে যে কেউ আপনার রান্নার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতে বাধ্য!

আসুন জেনে নেই, ঝিঙের খোসার রাজকীয় ভর্তা’র রেসিপি…

যা যা লাগবে

ঝিঙের মোটা খোসা: ২ কাপ

রসুন কোঁয়া: ৭ থেকে ১০টি

পেঁয়াজ কুচি: ১ চা চামচ

কাঁচা ও শুকনো মরিচ: ঝাল বুঝে (৩-৪টি কাঁচা ও ২টি শুকনো)

সরিষার তেল: ভাজা ও মাখানোর জন্য

লবণ: স্বাদমতো

প্রস্তুত প্রণালী

খোসা প্রস্তুতকরণ: ঝিঙে ভালো করে ধুয়ে নিয়ে বটি বা পিলারের সাহায্যে একটু পুরু/মোটা করে খোসা ছাড়িয়ে নিন।

স্বাদ কয়েকগুণ বাড়াতে: চাইলে এর সঙ্গে কিছুটা ভাজা কুঁচো চিংড়ি, শুঁটকি কিংবা সামান্য ধনেপাতা বাটা যোগ করতে পারেন, স্বাদ একদম জমে ক্ষীর হয়ে যাবে!

মসলা সাঁতলানো: কড়াইয়ে সরিষার তেল তাতিয়ে রসুন, পেঁয়াজ ও মরিচগুলো হালকা লালচে করে ভেজে একপাশে তুলে রাখুন।

খোসা নরম করা: ওই একি কড়াইয়ে ঝিঙের খোসা আর সামান্য লবণ দিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন। আঁচ কমিয়ে খোসা নরম হওয়া পর্যন্ত ভাজুন বা সামান্য জলের ছিটে দিয়ে সেদ্ধ করে নিন।

বাটা বা পেস্ট: ভাজা খোসা ও মসলা জুড়িয়ে গেলে শিলপাটায় মসৃণ করে বেটে ফেলুন (হাত বাঁচাতে ব্লেন্ডারও চালিয়ে নিতে পারেন)।

ফাইনাল টাচ: এবার কড়াইয়ে আরেকটু সরিষার তেল দিয়ে এই বাটা মিশ্রণটি মিনিট খানেক হালকা নাড়াচাড়া করে নিন।

পরিবেশন: ওপর থেকে সামান্য খাঁটি সরিষার তেল ও ভাজা শুকনো মরিচ ছড়িয়ে ধোঁয়া ওঠা গরম ভাত কিংবা বরফ-ঠান্ডা পান্তা ভাতের সঙ্গে দারুণভাবে পরিবেশন করুন!

স্বাদে টুইস্ট আনার সিক্রেট হ্যাকস

গন্ধ তাড়াতে: খোসা যদি ভালোভাবে সেদ্ধ বা ভাজা না হয়, তবে কাঁচা গন্ধ থেকে যাবে। তাই খোসা ভালোভাবে নরম হওয়া জরুরি।

অরিজিনাল টেস্ট: ব্লেন্ডারের চেয়ে পাটায় পেষা ভর্তার টেক্সচার ও স্বাদ সবসময় সেরা হয়!

ঝাঁঝালো ফ্লেভার: পরিবেশনের ঠিক আগে ওপর দিয়ে কয়েক ফোঁটা খাঁটি কাঁচা সরিষার তেল ছড়িয়ে দিন।

ঢাকা ইনফো ২৪ একটি বহুমুখী তথ্য বাতায়ন যেখানে আপনি পাবেন ব্রেকিং নিউজ, লাইফস্টাইল গাইড এবং ক্যারিয়ার বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ সব আপডেট। আপনার প্রতিদিনের তথ্যের চাহিদা মেটাতে আমরা আছি আপনার পাশে।