আসন্ন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তেলের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে ইরান। এ জন্য দেশটি হামলার ঘটনা সাজিয়ে প্রচার করছে বলে অভিযোগ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার তিনি এ অভিযোগ করেন।
ট্রাম্পের দাবি, সংঘাত শুরুর আগের সময়ের তুলনায় এখন হরমুজ প্রণালি দিয়ে বেশি তেল পরিবহন হচ্ছে। এরপরও তেলের দাম বাড়াতে ইরান নানা চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ১০০ দিনে গড়িয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। তাদের দাবি, ‘স্টিল ওয়াল’ নামের এ অবরোধের কারণে ইরান অন্তত ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করতে পারেনি।
সেন্টকম আরও দাবি করেছে, এ অবরোধের ফলে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অর্থের জোগান সীমিত হয়েছে। এই অর্থ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী, অপরাধী চক্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হতো বলে দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
অন্যদিকে, ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাই জানিয়েছেন, ইরানের দেওয়া সাতটি শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তেহরান আলোচনায় ফিরবে না এবং হরমুজ প্রণালিও খুলবে না। তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ খুলে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে তিনি জানান।
এদিকে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর সৌদি আরবে নতুন করে হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা বেড়েছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময়ের আগের হিসাব অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১১ দশমিক ২৪ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৮ দশমিক ২৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে।





