ম্যাচের আগে কানাডার কোচ জেসি মার্শ সাইল লারিনের কাছ থেকে বিশেষ কিছু প্রত্যাশা করেছিলেন। সেই প্রত্যাশার প্রতিদান দিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ড। তার গুরুত্বপূর্ণ গোলে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ১-১ গোলের ড্র করেছে কানাডা।
টরেন্টো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে পরিসংখ্যানের বেশিরভাগ জায়গাতেই এগিয়ে ছিল স্বাগতিক কানাডা। বলের দখল, আক্রমণ এবং গোলে শট—সব ক্ষেত্রেই আধিপত্য দেখালেও বসনিয়ার দৃঢ় রক্ষণভাগের কারণে কাঙ্ক্ষিত জয় পায়নি তারা।
ম্যাচের ২১তম মিনিটে কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে হেড করে গোল করেন বসনিয়ার জোভো লুকিচ। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটি ছিল তার প্রথম গোল, একই সঙ্গে বিশ্বকাপের মঞ্চেও প্রথম গোল। তার গোলে এগিয়ে যায় বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা।
গোল হজমের পর সমতায় ফেরার জন্য একের পর এক আক্রমণ চালায় কানাডা। অবশেষে ৭৯তম মিনিটে বদলি হিসেবে নামা সাইল লারিন দলকে ম্যাচে ফেরান। বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া তার দারুণ ভলি শট বসনিয়ার গোলরক্ষক নিকোলা ভাসিলজকে পরাস্ত করে জালে জড়ায়।
শেষ সময়ে দুই দলই জয়ের জন্য চেষ্টা চালালেও আর কোনো গোল হয়নি। ফলে ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।
এই ড্রয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট অর্জন করল কানাডা। এর আগে ১৯৮৬ ও ২০২২ বিশ্বকাপে খেলা ছয়টি ম্যাচের সবকটিতেই পরাজিত হয়েছিল উত্তর আমেরিকার দেশটি। ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই সেই হতাশার অধ্যায়ের ইতি টানল কানাডা।