নারী, শিশু ও তরুণদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংসদের প্রথম অধিবেশনে উত্থাপিত তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করা হবে, বলে উল্লেখ করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে নারী মৈত্রী আয়োজিত ইয়ূথ কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন বলেন, ‘যে সকল অধ্যাদেশ নিয়ে আমরা একমত হয়েছি অনুমোদিত ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ সেগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই অধ্যাদেশটি জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতি উভয় ক্ষেত্রেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু এই অধ্যাদেশের ব্যপারে আমরা সকলে একমত হয়েছি সেহেতু সংসদের বাধ্যবাধকতা মেনে প্রথম অধিবেশনের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এটিকে আইনে পরিণত করা হবে।’
এসময় নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আকতার ডলির সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ক্যন্সার সোসাইটির সভাপতি ড. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ আলী আকবর আশরাফী, নারী মৈত্রী তামাকবিরোধী মায়েদের ফোরাম, শিক্ষক ফোরাম, সাংবাদিক ফোরাম, ইয়ূথ ফোরাম এবং বিভিন্ন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, গেল বছরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিদ্যমান আইনকে আরও শক্তিশালী করে প্রস্তাবিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুমোদন করে। ৩০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে এই আইন কার্যকর হয়। সংশোধিত অধ্যাদেশে পাবলিক প্লেসে ধূমপানসহ বিভিন্ন অপরাধে কয়েকগুণ শাস্তি বাড়ানো হয়েছে।
সালাউদ্দিন/সাএ
