নির্বাচনি অপরাধ দমনে বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচনে চারজন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (০৫ এপ্রিল) ইসি আইন শাখার কর্মকর্তারা বিষয়টি জানিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের আইন শাখার উপ-সচিব মোহাম্মদ দিদার হোসাইন ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনও জারি করেছেন। এতে বলা হয়েছে, বগুড়ার সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান ও মো. কামাল হোসেন এবং শেরপুরের সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুলতান মাহমুদ মিলন ও মো. হাসান ভূইয়াকে ভোটের দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ও দি কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিউরের ১৯০ সেকশন অনুযায়ী অপরাধ আমলে নিয়ে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে দ্রুত বিচার করবেন। একই সঙ্গে প্রতিবেদন কমিশনের পাঠাবেন। তারা ৭ থেকে ১১ এপ্রিল দায়িত্ব পালন করবেন।
বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা হলেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান, বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার।
এই আসনে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচন করে জয়ী হন। কিন্তু সংসদে একই সঙ্গে দু’টো আসনের সদস্য থাকার আইন না থাকায় ঢাকা-১৭ আসনটি ধরে রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। পরবর্তী আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নতুন করে তফসিল দেয় কমিশন।
শেরপুর-৩ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা হলেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, স্বতন্ত্র থেকে মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এই আসনের একজন বৈধ প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় ভোট স্থগিত করে ইসি। পরবর্তীতে নতুন তফসিল দিয়ে নির্বাচন করছে সংস্থাটি।
আগামী ৯ এপ্রিল এ দুই আসনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
কুশল/সাএ
