নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনার বিষয়ে অবগত আছে। তিনি বিদেশে ইরানের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ হস্তান্তরের বিষয়ে ট্রাম্পের সমঝোতার দাবিকে “অবাস্তব” বলে অভিহিত করে তা অস্বীকার করেছেন।
ইরনার বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, সূত্রটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখতে ইরানের সম্মতির বিষয়ে ট্রাম্পের দাবিও প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, “ইরান আন্তর্জাতিক আইনে দেয়া অধিকার পুরোপুরি ভোগ করবে”।
তিনি আরও বলেন যে, সমৃদ্ধকরণের বিষয়টি দুই পক্ষের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত মতপার্থক্য।
তিনি সতর্ক করে বলেন যে, ট্রাম্পের প্রকাশ্য দম্ভোক্তি চলমান আলোচনাকে লাইনচ্যুত করতে পারে এবং ইরান একটি ফলাফল-ভিত্তিক কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্র “কূটনীতিকে ক্ষুণ্ণ করতে কূটনীতি ব্যবহার করতে পারে এবং একটি নতুন আক্রমণের ষড়যন্ত্র করতে পারে, যার কঠোর জবাব দিতে ইরান প্রস্তুত।”
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি শুক্রবার রাতে বলেছেন, আমাদের পারমাণবিক বিষয়ের সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য বিভিন্ন বিকল্প রয়েছে। তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করা কখনোই কোনো বিকল্প ছিল না।”
