বরগুনা জেলা ও উপজেলায় তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিন-রাত ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, আবার কোথাও দিনে একাধিকবার লোডশেডিং হওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ভেঙে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ করেই বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং দীর্ঘ সময় পর ফিরে আসছে। এতে তীব্র গরমে দুর্ভোগ বেড়েছে, ব্যাহত হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি পরীক্ষা-২০২৬ সামনে রেখে উদ্বেগ বাড়ছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক পরীক্ষার্থী ঠিকমতো প্রস্তুতি নিতে পারছে না বলে অভিযোগ করেছেন। বিশেষ করে রাতের বেলায় লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, এসএসসি পরীক্ষার আগে অন্তত স্থিতিশীল ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে প্রস্তুতি নিতে পারে। এভাবে লোডশেডিং থাকলে পরীক্ষার্থীদের ওপর একটি প্রভাব পড়বে।
এ বিষয়ে,,ওজোপাডিকো বরগুনা বিদ্যুৎ সরবরাহ নির্বাহী প্রকৌশলী আমিনুর রহমান জানান রাতে প্রায় ৫০ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে এবং আজ রাতে প্রায় ৮০ শতাংশ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশব্যাপী লোডশেডিং চলমান থাকলেও আমরা বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর চেষ্টা করছি। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে যেকোনো সময় লোডশেডিংয়ের মাত্রা পরিবর্তন হতে পারে।
তবে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত সমস্যার সমাধান ও স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
সালাউদ্দিন/সাএ
