পবিত্র ঈদুল আজহা ত্যাগ, কোরবানি ও আনন্দ ভাগাভাগির এক মহোৎসব। ২০২৬ সালের এই ঈদকে ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এসেছে বাড়তি সুখবর। সঠিকভাবে ছুটি পরিকল্পনা করলে টানা ১১ দিনের দীর্ঘ অবকাশ উপভোগের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ছুটির প্রজ্ঞাপন ও ক্যালেন্ডার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঈদের সরকারি ছুটি, সাপ্তাহিক ছুটি এবং ঐচ্ছিক ছুটি একত্র করলে এই দীর্ঘ বিরতি পাওয়া সম্ভব। এতে কর্মজীবীরা পরিবার-পরিজনের সঙ্গে বেশি সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২৬ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাধারণ ও নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। তবে এর আগে ও পরে থাকা ছুটিগুলো যুক্ত করলে মোট ছুটির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে।
ছুটির সম্ভাব্য হিসাব অনুযায়ী, ২২ ও ২৩ মে (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। এরপর ২৪ ও ২৫ মে (রবি ও সোমবার) নৈমিত্তিক ছুটি নিলে ছুটি কার্যত ২২ মে থেকেই শুরু করা যাবে।
এরপর ২৬ ও ২৭ মে নির্বাহী আদেশে ছুটি, ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহার সাধারণ ছুটি এবং ২৯, ৩০ ও ৩১ মে পুনরায় নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে।
এছাড়া ১ জুন (সোমবার) ঈদুল আজহার পরবর্তী চতুর্থ দিন হিসেবে ঐচ্ছিক ছুটি রয়েছে। প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়ে এ দিনটিও যুক্ত করা গেলে ২২ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত টানা ১১ দিনের ছুটি ভোগ করা সম্ভব।
সব মিলিয়ে, মাত্র দুই দিনের কৌশলী ছুটি নিলেই দীর্ঘ এই অবকাশ পাওয়া যেতে পারে, যা বছরের অন্যতম বড় ছুটির সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
