ইসলামাবাদের মধ্যস্থতায় যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রস্তাবের জবাবে আনুষ্ঠানিকভাবে জবাব দিয়েছে ইরান। রবিবার (১০ মে) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানায়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, ‘ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরান পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত সর্বশেষ ১৪ দফা প্রস্তাবের জবাব পাঠিয়েছে।’
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কূটনৈতিক উদ্যোগের তাৎক্ষণিক উদ্দেশ্যগুলো আরো স্পষ্ট করে বলেছে, ‘প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী শান্তি আলোচনা উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সাহায্য করবে।’
নতুন কূটনৈতিক কাঠামোতে তেহরানের মতামতের জন্য ওয়াশিংটন প্রস্তুত রয়েছে বলে জানা গেছে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান সংঘাতের অবসান, কৌশলগত হরমুজ প্রণালি দিয়ে নির্বিঘ্নে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি প্রত্যাহারে বাধ্য করাই প্রস্তাবিত শান্তি চুক্তির লক্ষ্য।
এর আগে চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনার জন্য তেহরানের প্রণীত ‘১৪-দফা পরিকল্পনা’র বিস্তারিত তথ্য আসে।
সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, মার্কিন প্রস্তাবকে তিনটি ভাগে ভাগ করেছে ইরান। যার মধ্যে এক মাসের একটি কাঠামো, তারপর অস্থায়ী ‘যুদ্ধবিরতি’ থেকে ‘যুদ্ধের সম্পূর্ণ অবসানের’ পরিকল্পনা।
জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১৪ দফার ‘নয়-দফা শান্তি পরিকল্পনা’র সরাসরি পাল্টা প্রস্তাব হিসেবে পেশ করেছে ইরান।
আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াশিংটনের কাছে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, ইরানি বন্দরগুলোর অবরোধ প্রত্যাহারের সুনির্দিষ্ট দাবি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া প্রস্তাবটিতে জোর দেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার করবে।
সেই সঙ্গে সব শত্রুতা ইতি টানবে। যার মধ্যে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিও রয়েছে।
তবে এই কূটনৈতিক উদ্যোগটি এমন এক সময় নেওয়া হলো। যখন উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে হামলার খবর আসছিল। যার মধ্যে কাতারগামী একটি পণ্যবাহী জাহাজের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
সূত্র: এএনআই।
সালাউদ্দিন/সাএ