পটুয়াখালীর নান্দনিক ঝাউতলা নির্মিত যাত্রী ছাউনিতে হঠাৎ করে নির্মাণ করা হয় টি-স্টল।এই স্টল নির্মাণের পর পর’ই আলোচনা সমালোচনার জন্ম নিলে পৌর কর্তৃপক্ষ মতামত জরিপের জন্য পৌরসভার ভেরিফাই ফেসবুক পেজে পোস্ট দেয় মতামত যাচাইয়ের জন্য ।যা কিনা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মত। পোস্টটিতে লেখা ছিল – পৌর নাগরিকদের অবগতির জন্য;
পৌর এলাকার ফোরলেনের যাত্রী ছাউনিগুলোর মূল ডিজাইনে পর্যটকদের সুবিধার্থে এক পাশে ছোট্ট একটি ক্যাফে/টি স্টল -এর ডিজাইন ছিল। এজন্য এক পাশের বেঞ্চ স্থাপনা না করে, ফাঁকা রাখা হয়েছিল।তবে, এখন যে স্টল ঠিকাদার বসানো শুরু করেছিল, সেটা ঠিকমতো ডিজাইন না বুঝে করছিল বিধায় দৃষ্টিগোচরে আসার সাথে সাথে অতিসত্বর অপসারণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ছবিতে থাকা সিম্পল ও স্মার্ট ডিজাইনের এই ক্যাফেটির উপরেও পৌর নাগরিকদের মতামত জানাতে অনুরোধ করা হলো।
পৌর নাগরিক না চাইলে নির্ধারিত এই ডিজাইনটিও বাস্তবায়ন করা হবে না, আশ্বস্ত করা হচ্ছে। – পৌর কর্তৃপক্ষ, পটুয়াখালী পৌরসভা।
পৌর কর্তৃপক্ষের দেয়া পোস্টটিতে পটুয়াখালির নাগরিকদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন রকম কমেন্টে দেখা যায় -আবদুস সালাম আরিফ নামে একজন লিখেছেন ”
শাক দিয়ে কি মাছ ঢাকা যায়। পৌরসভার ডিজাইনের বাহিরে ঠিকাদারের কাজ করার সুযোগ নেই। ডিজাইনে যা আছে তা হলে সেটা মানা যায়। এর মধ্যে নান্দিনিকতা আছে এবং এটি পরিচ্ছন্ন। কিন্তু এখন যা হচ্ছিলো তা তো পুরাই খ্যাত।” মিরাজ দেওয়ান নামে একজনে লিখেছেন “ফাও খাওয়ার ধান্দা বাদ দিন যেমন আছে তেমন থাকুক কোনো স্টলের দরকার নাই।
ঝাউবন এমনিতে হাজার হাজার স্টল আছে মানুষ ওখানে গিয়েই চা কফি খেতে পারবে।” সাজিদ হাসান নামে আর একজন নিখেছেন”পৌরসভার টাকার এত অভাব পড়ে নাই যে সরকারি জমি বেচে খাওয়া লাগবে, ওইখানে অন্তত ১০০-১৫০ টি স্টল আছে, জনগণ কে ভোদাই বানানোর নতুন সূত্র।”
বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে ওটা পৌর এলাক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে।সাধারণ পৌরবাসী মনে করেন পূর্বের ডিজাইন-ই নান্দনিকতার প্রকাশ পায়। পৌরবাসী আরো বলেন পূর্বের ন্যায় ফ্যাসিস্টদের মতই এক শ্রেনীর ভূমিদস্যুরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজেদের পকেট ভারি করতে চায়।
