প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কালো টাকা বৈধ করার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। বরং সম্পত্তি লেনদেনে প্রকৃত মূল্য ঘোষণা নিশ্চিত করে কর-সংক্রান্ত জটিলতা কমানোর একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি জানান।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, এ বিষয়ে জনমনে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে। মূল উদ্দেশ্য ছিল সম্পত্তি ও ফ্ল্যাট লেনদেনে প্রকৃত মূল্য দেখানো এবং কর ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ করা।
তিনি জানান, অতীতে অনেক ক্ষেত্রে জমি বা ফ্ল্যাট প্রকৃত মূল্যে বিক্রি হলেও নিবন্ধনে কম মূল্য দেখানো হয়। পরে কর কর্তৃপক্ষ প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করলে বিক্রেতা বা ক্রেতাকে অতিরিক্ত কর ও জরিমানার মুখে পড়তে হয়।
এ সমস্যা সমাধানে ব্যাংকিং চ্যানেলের প্রমাণ ও বায়না নামা দেখিয়ে নিয়মিত কর দিয়ে মূলধনী মুনাফা বৈধ করার সুযোগ রাখা হয়েছিল বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, এবার একই ধরনের সুবিধা সম্পত্তি বা ফ্ল্যাট ক্রেতাদের জন্য বিবেচনা করা হয়েছিল, যাতে প্রকৃত মূল্য ঘোষণা করলে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ কর পরিশোধের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা যায়।
তবে এ ধরনের বিধান নিয়ে আপত্তি থাকলে সরকার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে বলেও জানান এনবিআর চেয়ারম্যান।
সংবাদ সম্মেলনে অর্থ উপদেষ্টা, বিভিন্ন মন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরসহ সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।