চট্টগ্রামে ক্রিকেটার নাঈম হাসানের সিএনজি অটোরিকশা থামিয়ে তল্লাশির ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) আমিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ওই সময় একটি বিশেষ তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হচ্ছিল। তবে পুরো প্রক্রিয়ায় কিছু ত্রুটি ছিল বলেও তিনি স্বীকার করেছেন।
ঘটনাটি ঘটে চট্টগ্রামের লালখান বাজার এলাকায়, যেখানে ডিপিএল খেলে বাড়ি ফেরার পথে নাঈম হাসানের সিএনজি থামিয়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এ সময় তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং শারীরিকভাবে হেনস্তার অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় নাঈম হাসানের ভাই সাব্বির হাসান খুলশী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় এসআই শফিকুল, কনস্টেবল রাসেল এবং পুলিশের সোর্স সোহেলকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে সোহেলকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, একটি অটোরিকশায় স্বর্ণ চোরাচালান হচ্ছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছিল। তবে অভিযানের আগে যথাযথ নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে পুলিশ।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের টেস্ট ক্রিকেটার নাঈম হাসান এখন পর্যন্ত ১৪টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত এই তরুণ স্পিনার দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় দলের সেটআপে থাকলেও একাদশে নিয়মিত সুযোগ পাননি।
কুশল/সাএ