ইবি: পোষ্য কোটা বাতিলসহ চার দফা দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ।
শনিবার (২০ জুন) বেলা ১১টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন তিনি। এ সময় তিনি দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
চার দফা দাবিগুলো হলো বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচলিত পোষ্য কোটা অনতিবিলম্বে বাতিল, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অশোভন ও অসৌজন্যমূলক আচরণ বন্ধ করা, সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া সকল ধরনের অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক ফি কমানো।
এ সময় প্রশাসন ভবন গেটে ‘যোগ্যতার জয় হোক, পোষ্য কোটা রোধ হোক’, ‘অযৌক্তিক ভর্তি ফি, বাতিল চাই বাতিল চাই’, ‘অযৌক্তিক স্টেশন ফি, বাতিল চাই বাতিল চাই’ এবং ‘সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি, বাতিল চাই বাতিল চাই’ লেখা সম্বলিত পোস্টার প্রদর্শন করা হয়।
এদিকে তার দাবির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে বিকেল ৩টার দিকে অনশনে বসে আইন বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাজু আহম্মেদ জীবন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবি শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, ‘আমাদের জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল কোটা বাতিলের দাবিতে। অনতিবিলম্বে পোষ্য কোটা বাতিলসহ সকল অযৌক্তিক ফি কমাতে হবে। এ ছাড়া, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি বন্ধ করতে হবে। আমার দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাব।’
এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ‘আমরা ছেলেটার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টির সমাধান করব।’