মঙ্গলবার , ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলা
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. দেশজুড়ে
  9. প্রবাস
  10. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাতক্ষীরায় ২৮০টি মৌ-বাক্স পুকুরে ফেলে নিধন


সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ২৮০টি মৌ-বাক্স পুকুরে ফেলে রাণি মৌমাছিসহ বিপুল পরিমাণ মাছি পানিতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে বিপুলসংখ্যক মৌমাছি, মৌচাক ও মধু নষ্ট হয়ে গেছে। প্রায় আনুমানিক ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন জাহাঙ্গীর আলম নামের এক মৌচাষি।

এ ঘটনায় কলারোয় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম।

অভিযোগপত্র ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্যামনগর উপজেলার হরিণনগর গ্রামের মৌচাষি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম গত ৯ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে মাগুরা জেলা থেকে রাণি মৌমাছি নিয়ে মধু সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার রাতে কলারোয়া উপজেলার মীরডাঙ্গা গ্রামে এসে পৌছান। সেখানে ইমামুল ইসলামের আমবাগানে অস্থায়ী মৌ-খামার স্থাপন করেন। সেখানে তিনি ২৮০টি মৌ-বাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহের জন্য নিবিড় পরিচর্যা ও পাহারা দিয়ে আসছিলেন।

গত ১২ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১:০০ টা থেকে ভোর ৬:০০ টার মধ্যে যেকোনো সময় অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারীরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমবাগানে থাকা মৌমাছির ২৮০টি বাক্স পাশের দুটি পুকুরের পানিতে ফেলে দেয়। সকালে উঠে খামার মালিক দেখতে পান, পুকুরের পানিতে ডুবে রানি মাছিসহ সব মৌমাছি মারা গেছে এবং বাক্সগুলো সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্থ মৌচাষি জাহাঙ্গীর আলম মুঠোফোনে জানান, শুক্রবার সারাদিন আমি আম বাগানে আমি যখন মৌ বাক্স গুলো সেখানে স্থাপন করলাম তখন কেউ আমাকে কিছু বলি নি। তারপর শনিবার সকালে উঠে দেখি আমার সব মৌবাক্স পানিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। মৌ-বাক্সগুলো শুধু পানিতে ফেলে দেওয়া হয়নি, এর সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও জীবিকার পথও ধ্বংস করা হয়েছে। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।

তিনি আরো বলেন, প্রতিটি বাক্সে ৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্য মৌমাছির বাজার মূল্য। ২৮০টি বাক্সে থাকা মৌমাছির বাজারমূল্য প্রায় ১৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। এছাড়া গত কয়েক দিনে খাদ্য ও পরিচর্যা বাবদ আরও প্রায় আড়াই লাখ টাকা খরচ হয়েছিল। শত্রুতা করে আমার এই সব শেষ করে দেওয়া হয়েছে। আমি একবারে নিঃস্ব হয়ে রাস্তায় বসে গেছি।

ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় জমি মালিক ইমামুল ইসলাম, মহিদুল ইসলাম ও ইমরান হোসেনসহ এলাকার উৎসুক মানুষ ঘটনাস্থলে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। স্থানীয়রা এ ধরনের জঘন্য কর্মকান্ডের দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান রিমু মুঠোফোনে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাটি ঘটেছে ১১ তারিখ রাতে। ভুক্তভোগী থানায় ১২ তারিখ এসে একটা লিখিত অভিযোগ দায়ের করে গেছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

📰 ঢাকা ইনফো২৪

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর, প্রবাসীদের তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

আরও পড়ুন
`);w.document.close();setTimeout(function () { w.focus(); w.print(); }, 500);});});